• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নেপাল লিগে খেলবেন সাকিব-আকবর আলী রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহে আইএইএ-এর  সহযোগিতা চাইলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী রাজস্ব বাড়াতে জাতীয় তামাক করনীতির আহ্বান সপ্তাহের শেষ দিন ইতিবাচক ধারায় শেয়ারবাজার শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা নৌবাহিনীর তিন জাহাজ মডার্ন ট্রেডে রিমার্কের সাফল্য, সেরা বিক্রয় প্রতিনিধিদের সম্মাননা কুমিল্লায় ৬ পুলিশের হেফাজত থেকে আসামির পলায়ন জলবায়ু দুর্যোগ তহবিলের অর্থের জন্য নেপাল বন্যা নিয়ে নতুন সমীক্ষা জমা দেবে কর্মসংস্থানসহ ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব মেনজিসের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ১২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এই রায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত নৃশংসতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তির এই আদেশ আসে। বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাত শীর্ষ নেতার মধ্যে রয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা কিংবা পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে সাক্ষীদের বয়ান এবং বিভিন্ন ডিজিটাল নথিপত্র উপস্থাপন করে তাদের অপরাধ প্রমাণে সক্ষম হন, যার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের সেই দিনগুলোতে আন্দোলন দমনের নামে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার হামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় শীর্ষ নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশেই এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল বলে ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন প্রসিকিউশন টিম আসামিদের বিরুদ্ধে একের পর এক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপন করে, যা দেশের বিচার ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই রায়ের মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া এবং দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই যুগান্তকারী রায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com