দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন ইতিবাচক ধারায় সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় প্রধান পুঁজিবাজারেই সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে বাজারজুড়ে এক ধরনের স্বস্তিকর পরিবেশ বজায় ছিল, যা পুরো কার্যদিবস জুড়েই অব্যাহত থাকে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে এদিন অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি থাকায় সার্বিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী পজিশন ধরে রাখতে সক্ষম হয়। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এই অংশগ্রহণ বাজারের প্রতি আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, বন্দরনগরীর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা গেছে। সেখানেও প্রধান সূচক বাড়ার পাশাপাশি বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম ইতিবাচক ছিল। সার্বিক লেনদেনের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ দিনটি বিনিয়োগকারীদের জন্য বেশ লাভজনক এবং আশাব্যঞ্জক একটি দিন হিসেবে অতিবাহিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজারের এই ধারাবাহিক ইতিবাচক গতিশীলতা বজায় রাখতে বাজার তদারকি সংস্থার সঠিক ভূমিকা এবং সুশাসন অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। তবে বাজারের এই স্থায়িত্ব নির্ভর করবে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং কোম্পানির করপোরেট পারফরম্যান্সের ওপর।