• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
তরুণদের চাকরির বাজারে এআইয়ের ছায়া বেগম জিয়া জীবিত থাকলে গুপ্ত স্লোগানের কী হতো পড়াশোনার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি কাজ করেন যেসব দেশের শিক্ষার্থীরা ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েও বাদ, রাষ্ট্রীয় অনাচারের অভিযোগ, রি–ভেরিফিকেশনের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম: শিশুর সাইবার হয়রানি বাড়ছে সিডিপিএল প্রকল্প: পাইপলাইনে মিলছে সুফল, বাধা জনবলসংকট ইউরোস্ট্যাটের আগস্ট প্রতিবেদন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ইইউর বাজার ভারতে যাওয়ার পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর ভারতে চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পড়াশোনার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি কাজ করেন যেসব দেশের শিক্ষার্থীরা

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানে যুক্ত থাকার প্রবণতা একেক দেশে একেক রকম দেখা যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শিক্ষাজীবনে শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি চিত্র উঠে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু দেশে তরুণ প্রজন্মের বড় একটি অংশ অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন বা পূর্ণকালীন পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির পাশাপাশি বাস্তবসম্মত কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক এবং জার্মানির শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। এই তিন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ শিক্ষার্থী তাদের নিয়মিত ক্লাসের ফাঁدي বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রম দিয়ে থাকেন। উন্নত জীবনযাত্রা বজায় রাখা এবং নিজেদের পড়াশোনার খরচ আংশিক বা পুরোপুরি মেটানোর তাগিদেই মূলত তারা এমন পথ বেছে নেন।

শিক্ষার্থীদের এমন কর্মমুখী হওয়ার পেছনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর শ্রমবাজারের নমনীয় নীতি এবং কর্মসংস্থানের অনুকূল পরিবেশ বিশেষভাবে ভূমিকা রাখছে। ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলোতে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ প্রচুর থাকায় তরুণদের পক্ষে পড়াশোনার সঙ্গে পেশাগত জীবন সামলানো সহজ হয়। এছাড়া জার্মানিতেও আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য আইনগতভাবে নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজের বৈধ সুযোগ রয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে।

শিক্ষাজীবনে এমন কর্মঅভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তরুণদের মূলধারার কর্মবাজারে প্রবেশ করতে এবং নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে। পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সংস্কৃতি গড়ে ওঠার ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের হাতখরচ ও টিউশনের চাপ কমে, অন্যদিকে তাদের মধ্যে পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতাও বিকশিত হয়। এই তিন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর এই অনন্য সমন্বয় তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com