• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সিডিপিএল প্রকল্প: পাইপলাইনে মিলছে সুফল, বাধা জনবলসংকট ইউরোস্ট্যাটের আগস্ট প্রতিবেদন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ইইউর বাজার ভারতে যাওয়ার পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর ভারতে চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাকাতিয়ায় সেতু নেই, স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল রিয়াল মাদ্রিদ যুক্তরাষ্ট্রের মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের মন্তব্য মূর্খতাপূর্ণ: ম্যাক্রোঁ

পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির যৌথ লক্ষ্য নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়া। কাতার পৌঁছে চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বদর’ নামক এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বলে নিশ্চিত করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ উৎপাদন এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি নিজেদের সামরিক সক্ষমতাকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এই চার রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চালিয়ে আসছিল।

কাতারে আয়োজিত বিশেষ এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, কাতারের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শেখ সৌদ বিন আবদুর রহমান এবং ইন্দোনেশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউসুফ জওহারি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পবিষয়ক প্রেসিডেন্সির প্রধান হালুক গোরগুনও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান যে এই চুক্তি কেবল সামরিক সরঞ্জাম কেনাবেচার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং অংশীদার দেশগুলোর মানবসম্পদ ও শিল্প অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কাতারের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, পূর্ণিমার চাঁদের প্রতীক হিসেবে এই চুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বদর’, যা চার দেশের পরিপূরক সক্ষমতার মেলবন্ধনকে নির্দেশ করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অংশীদার দেশগুলো তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য কোনো বন্ধুভাবাপন্ন দেশকেও এই জোটে যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও, দেশটির সঙ্গে কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এই চার দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি কাতার সফর করে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার নৌপ্রধান এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের সামরিক নেতৃত্বের একাধিক বৈঠক হয়েছে, যেখানে পেশাগত প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়া পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, বদর চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলের দেশগুলো বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে নিজেদের প্রতিরক্ষা অবস্থানকে আরও সুসংহত করার সুযোগ পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com