• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাইবার হামলার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করিয়ে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা ডিআইজির বাসায় অভিযান, মাদক উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে ১০ বছর আগে বের হওয়া যাবে না এমন ব্যাটিং করে কী আর ফাইনালে যাওয়া যায় আনন্দ–বিষাদে দেবী দুর্গাকে বিদায়, বিসর্জন দেখতে কক্সবাজার সৈকতে লাখো মানুষের ঢল ভারত সফরে রুবিও, কেন জামনগরে নজর যুক্তরাষ্ট্রের রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় বিএনপির এমপি চাঁদের নাম, বিতর্ক তুঙ্গে ‘নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ চট্টগ্রাম বন্দর: ইজারার চুক্তি সংসদে আলোচিত হলো না কেন

‘নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিদ্যমান নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই চার দেশের কৌশলগত ঐক্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। বিশেষ করে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা এবং বহুমুখী হুমকির মুখে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নীতিগবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিশিষ্ট প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। তার মতে, চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বর্তমানে যেসব সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তার বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজতেই এই সামরিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন তিনি।

নিরাপত্তা ঝুঁকির পাশাপাশি এই উদ্যোগের অর্থনৈতিক সুফল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই বিশ্লেষক। যেসব দেশের নিজস্ব শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে, তারা মূলত একই মানের সামরিক সরঞ্জাম তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে যেসব দেশের নিজস্ব বড় সামরিক শিল্প নেই, তারাও কম ব্যয়ে আধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি অর্জনের সুযোগ লাভ করে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক দিক থেকেও বেশ লাভজনক।

প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর ক্ষেত্রেও এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে যুক্তরাজ্য কিংবা ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা শক্তির মুখাপেক্ষী না থেকে নিজেদের অঞ্চলের ভেতরেই সামরিক চাহিদা মেটানোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই কৌশলগত পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আরও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার পাশাপাশি বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com