• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ দিল্লিতে আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি মাখানোর প্রতিবাদে উদীচীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আয়াস, মারজিয়াদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে জার্মান পর্যটকের সেই ল্যাপটপ নাটোর থেকে উদ্ধার দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ, সুভাস্তু ডেভেলপমেন্টে দুদকের অনুসন্ধান চাঁদাবাজ-দখলদারদের জায়গা নেই বিএনপিতে চাঁদাবাজি ও দখলদারিতে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে আবু সাঈদের মতো জীবন দেব: জামায়াত এমপি

দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

Reporter Name / ১১ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির ওপর বিদেশি ঋণের চাপ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরের শেষ তিন মাসে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় সাড়ে ১১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। নির্দিষ্ট ওই প্রান্তিকে এর আগের তিন মাসের তুলনায় বৈদেশিক ঋণ ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। মূলত সরকারি খাতের দায় বৃদ্ধির কারণে সার্বিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার এই দেনা বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকের শেষ নাগাদ সরকারি খাতের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে, যা এর আগের প্রান্তিকে প্রায় ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে সরকারি খাতের দেনা বেড়েছে প্রায় ৪১৯ কোটি মার্কিন ডলার। তবে আশার কথা হলো, এই সময়ে বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণের পরিমাণ সামান্য হ্রাস পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া বিবরণী অনুযায়ী, গত জুনের সমাপ্ত প্রান্তিকে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের একটি বড় অংশই ছিল দীর্ঘমেয়াদি প্রকৃতির। মোট দায়ের প্রায় ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ বা ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার ছিল দীর্ঘমেয়াদি ঋণ। এর বিপরীতে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে নেওয়া এসব ঋণের দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় তৈরি করছে।

বিভিন্ন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ধরন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বৈদেশিক ঋণের একটি বিশাল অংশ এসেছে বিভিন্ন বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে। নির্দিষ্ট ওই সময়ে বহুপক্ষীয় সংস্থার ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার এবং দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতের ঋণ দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, সরকারি খাতে ঋণ বাড়লেও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের বিদেশি ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমেছে। নির্দিষ্ট ওই প্রান্তিকে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ সামান্য কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, যা এর আগের প্রান্তিকে কিছুটা বেশি ছিল। মূলত বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যঋণ এবং ক্রেতাঋণ বা বায়ার্স ক্রেডিটের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার কারণে সামগ্রিকভাবে বেসরকারি খাতের এই বৈদেশিক দেনা কিছুটা কমেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com