• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আমার শিক্ষক ট্রলারচালক মিলন ভাই তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে মারুবেনির প্রেসিডেন্ট, দ্বিতীয় কাফকো-এআই ডেটা সেন্টার নিয়ে আলোচনা ব্রিটেনের ১৭৭ বছরের পুরোনো বুটস কিনছেন কানাডার ধনকুবের, আসছে যেসব পরিবর্তন বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা আমানতকারীদের অর্থ ফেরতে ন্যাশনাল ব্যাংকের আবেদন গ্রহণ শুরু কুমিল্লায় সরকারি দেয়াল ভেঙে ফসলি জমি ভরাটের অভিযোগ দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জাতীয় যুবশক্তির আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরিকল্পনা সরকারের আয়াশসহ চারজনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো

আমানতকারীদের অর্থ ফেরতে ন্যাশনাল ব্যাংকের আবেদন গ্রহণ শুরু

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্রাহক ভোগান্তি ও সংকটের অবসান ঘটাতে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে গ্রাহকদের জমানো টাকা পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সম্প্রতি ব্যাংকটির বর্তমান পর্ষদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

এর আগে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবীন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, নির্ধারিত তারিখ থেকেই ব্যাংকের সব ধরনের সাধারণ সেবা পুরোদমে চালু করা হবে। তিনি আরও আশ্বস্ত করেছিলেন যে, প্রতিটি শাখা ও এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থের সরবরাহ রাখা হবে যাতে কোনো গ্রাহককেই টাকা না পেয়ে ব্যাংক থেকে খালি হাতে ফিরে যেতে না হয়।

উল্লেখ্য, বিগত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকটির পর্ষদ সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরবর্তীতে গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি হস্তক্ষেপ করে সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ খর্ব করে এবং বর্তমানে মাল্টিমোড গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ ও আর্মানা গ্রুপের প্রতিনিধিরা ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে অতীতের ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের ফলে ব্যাংকটি এখনো গভীর আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একাধিকবার তারল্য সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের উচ্চ হার এবং ধারাবাহিক লোকসানের কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ প্রায় ৫৬ শতাংশই বর্তমানে খেলাপি হয়ে পড়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ২০২২ সাল থেকে শুরু করে গত কয়েক বছরে ব্যাংকটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে এবং সম্প্রতি প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনেও এই লোকসানের ধারা অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com