• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আলোচনার জন্য প্রস্তুত, হামলা হলে বিধ্বংসী জবাব দেবে ইরান সুপার কম্পিউটারের ১১০ বছরের কাজ মাত্র ১৯ সেকেন্ডে করল কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রায় সব ব্র্যান্ডের বিড়ালের খাবারেই বিষ, আছে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানও: গবেষণা বারবিকিউ পার্টিতে অ্যালকোহল–মিশ্রিত পানীয় ‘ঝাক্কাস’ পান, এক যুবকের মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে ৩০ ডলারে কেনা চিত্রকর্ম বিক্রি হলো সাড়ে ১৩ লাখ ডলারে মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার নিন্দা বাংলাদেশের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ছোট: ৪০টি তথ্য ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়তে পারে? ইরানে ফের বড় হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, সিদ্ধান্ত শিগগির শাহজালালে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, বিমানের দুই কর্মী আটক

প্রায় সব ব্র্যান্ডের বিড়ালের খাবারেই বিষ, আছে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানও: গবেষণা

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

বাজারে প্রচলিত বিড়ালের প্রায় সব ধরনের খাবারে সিসা, পারদ, আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়ামের মতো অত্যন্ত ক্ষতিকর ভারী ধাতু এবং প্লাস্টিক প্রস্তুতকরণে ব্যবহৃত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা পণ্য পরীক্ষাকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ক্লিন লেবেল প্রজেক্টের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় শুকনো বা ড্রাই ফুড, ভেজা বা ওয়েট ফুড এবং ফ্রিজ-ড্রাইড—সব ধরনের ক্যাট ফুডেই এসব উপাদানের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। এমনকি যেসব পণ্যকে অত্যন্ত পুষ্টিকর বা প্রাকৃতিক হিসেবে বাজারজাত করা হয়, সেগুলোতেও এই বিষাক্ততার প্রভাব রয়েছে।

প্রতিবেদনের প্রধান লেখক এবং ক্লিন লেবেল প্রজেক্টের নির্বাহী পরিচালক মলি হ্যামিল্টন জানান, একটি বিড়াল সাধারণত প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেয়ে থাকে, যার ফলে এসব ক্ষতিকর উপাদান ধীরে ধীরে তাদের শরীরে জমা হতে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ৯৯ শতাংশ নমুনায় সিসা, ৯৬ শতাংশে ক্যাডমিয়াম এবং ৯৪ শতাংশ খাবারে আর্সেনিকের মতো বিষাক্ত উপাদান রয়েছে। বয়স্ক বিড়ালদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ, আর শরীর থেকে ভারী ধাতু ছেঁকে বের করার কাজটি মূলত কিডনিই করে থাকে। ফলে নিয়মিত এই খাবার গ্রহণের কারণে পোষা প্রাণীটির কিডনি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছে।

প্রোটিনের উৎসের ওপর ভিত্তি করে খাবারে বিষাক্ততার ধরনে ভিন্নতা দেখা গেছে, যেখানে সামুদ্রিক মাছ দিয়ে তৈরি খাবারে পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মাত্রা সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে মুরগির মাংসভিত্তিক খাবারে পারদ কিছুটা কম থাকলেও সিসা ও আগাছানাশক রাসায়নিকের উপস্থিতি বেশি রয়েছে। এছাড়া গবেষণায় ৩৭ শতাংশ খাবারে গ্লাইফোসেট নামক আগাছানাশক এবং অর্ধেকের বেশি খাবারে ডিইএইচপি নামক প্লাস্টিক কেমিক্যালের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গ্লাইফোসেট মানুষের শরীরে ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে এমন একটি সম্ভাব্য উপাদান, আর ডিইএইচপি জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায়।

এই গবেষণার ফলাবলের বিষয়ে ক্যাট ফুড প্রস্তুতকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা পেট ফুড ইনস্টিটিউট দাবি করেছে যে, তারা কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ ও খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসরণ করে থাকে। তবে গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মালিকদের আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিড়ালের খাবারে বৈচিত্র্য আনা, লেবেলে উল্লেখিত উপাদানগুলো মনোযোগ সহকারে পড়া এবং নিয়মিত প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কিছুটা কমানো সম্ভব বলে মত দিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com