• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আলোচনার জন্য প্রস্তুত, হামলা হলে বিধ্বংসী জবাব দেবে ইরান সুপার কম্পিউটারের ১১০ বছরের কাজ মাত্র ১৯ সেকেন্ডে করল কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রায় সব ব্র্যান্ডের বিড়ালের খাবারেই বিষ, আছে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানও: গবেষণা বারবিকিউ পার্টিতে অ্যালকোহল–মিশ্রিত পানীয় ‘ঝাক্কাস’ পান, এক যুবকের মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে ৩০ ডলারে কেনা চিত্রকর্ম বিক্রি হলো সাড়ে ১৩ লাখ ডলারে মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার নিন্দা বাংলাদেশের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ছোট: ৪০টি তথ্য ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়তে পারে? ইরানে ফের বড় হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, সিদ্ধান্ত শিগগির শাহজালালে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, বিমানের দুই কর্মী আটক

সুপার কম্পিউটারের ১১০ বছরের কাজ মাত্র ১৯ সেকেন্ডে করল কোয়ান্টাম কম্পিউটার

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্বের বর্তমান প্রযুক্তির উৎকর্ষে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। জটিল এবং কঠিন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য এতদিন সুপার কম্পিউটারের ওপর নির্ভর করতে হতো। এই শক্তিশালী কম্পিউটারগুলো বিশাল জিপিইউ এবং সিপিইউ ক্ষমতার সাহায্যে এমন সব হিসাব নিমিষেই করতে পারে, যা একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটারের সম্পন্ন করতে কয়েকশ বছর লেগে যেতে পারে। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের এক যুগান্তকারী গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম প্রসেসর প্রচলিত সুপার কম্পিউটারকেও বহু পেছনে ফেলে দিতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্লুকিউবিট প্রতিষ্ঠানের গবেষক তিগরান সেদ্রাকিয়ানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় একটি যুগান্তকারী ফলাফল সামনে এসেছে। আইবিএমের নাইটহক আর-টু প্রসেসর ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা মাত্র ১৯ সেকেন্ডের মধ্যে ১০ লাখ নমুনা তৈরি করেছেন। প্রখ্যাত বিজ্ঞান জার্নাল এআর-১৪-এ প্রকাশিত প্রিপ্রিন্ট গবেষণাপত্র অনুযায়ী, একই জটিল কাজটি বর্তমানের প্রচলিত সুপার কম্পিউটারের মাধ্যমে করতে গেলে আনুমানিক ১১০ বছর সময় লাগত। গবেষকদের দাবি, সাধারণ মানের কোয়ান্টাম সার্কিট স্যাম্পলিংয়ের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ কোনো প্রসেসরে এটিই প্রথম কোয়ান্টাম অ্যাডভান্টেজ অর্জনের ঘটনা।

কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য র‍্যানডম সার্কিট স্যাম্পলিং বা আরসিএস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় কিউবিটের ওপর বিভিন্ন অপারেশন এলোমেলোভাবে প্রয়োগ করে জটিল কোয়ান্টাম অবস্থা তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে প্রসেসর সেই অবস্থা পরিমাপ করে নির্দিষ্ট কিছু নমুনা বা স্ট্রিং তৈরি করে। কিউবিট এবং অপারেশনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রচলিত কম্পিউটারের পক্ষে এই হিসাবগুলোর সম্ভাব্যতা নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে সুপার কম্পিউটারের জন্য এই ধরনের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারগুলোর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হলেও গবেষকরা তাত্ত্বিক হিসাবের জন্য টেনসর-নেটওয়ার্ক কন্ট্রাকশন নামক কৌশল ব্যবহার করেছেন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে তারা হিসাব করে দেখেছেন যে প্রচলিত কম্পিউটারে ওই নির্দিষ্ট স্যাম্পলগুলো পুনরুৎপাদন করতে প্রায় ১.২ গুণ ১০ এর ২৭ তম ঘাত পরিমাণ কম্পিউটেশনাল অপারেশন প্রয়োজন হতো। যদিও এই গবেষণার ফলাফল এখনো পিয়ার-রিভিউ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়নি, তবুও প্রযুক্তির এই অভাবনীয় অগ্রগতি ভবিষ্যতে কম্পিউটিং জগতের সম্পূর্ণ চিত্র বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com