• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
অযত্ন-অব‌হেলায় ধুঁক‌ছে শৈলজারঞ্জন মজুমদার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বর্ষায় প্রাণ, বাকি আট মাসে দূষণের বিষে বুড়িগঙ্গা শিক্ষা মেলায় সাদিকার হাতে ছোট্ট সৌরজগত ইসরাইলি সৈন্যের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী পেরিয়ে হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর রওজা জিয়ারত জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প বন্ধে মোংলায় মানববন্ধন ১১ দলের রংপুর লংমার্চে যুক্ত হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনার দাবি বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল: টুকু গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী গোলাপগঞ্জে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে ‘তৌহিদি জনতা’র বিক্ষোভ রাজশাহী নগরীর সড়ক সংস্কারের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের

ইসরাইলি সৈন্যের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী পেরিয়ে হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর রওজা জিয়ারত

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড ওয়েস্ট ব্যাংকের ভেতর দিয়ে ভ্রমণের সময় এক রোমাঞ্চকর ও থমথমে পরিবেশের মুখোমুখি হতে হয়। জেরুজালেমের ঐতিহাসিক নগরী থেকে যাত্রা শুরু করে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন আলোচিত এলাকার বুক চিরে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি কঠিন অভিজ্ঞতা। এই অঞ্চলের প্রতিটি পদক্ষেপে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তাবেষ্টনীর বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে এখানকার বর্তমান ভূরাজনীতি।

যাত্রাপথে পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের সুউচ্চ সীমান্ত প্রাচীর এবং অসংখ্য চেকপোস্ট অতিক্রম করতে হয়। ইসরাইলি সৈন্যদের কড়া তল্লাশি ও অস্ত্রের ঝনঝনানি পেরিয়ে এই পথ পাড়ি দেওয়া বেশ সময়সাপেক্ষ ও মানসিক চাপের বিষয়। ফিলিস্তিনিদের দৈনন্দিন জীবনের ওপর এই সামরিক বাধার নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্টভাবেই ফুটে ওঠে সমগ্র পথজুড়ে।

তবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানোর আনন্দ সব ক্লান্তি দূর করে দেয়। এই যাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল ওয়েস্ট ব্যাংকের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নগরী হেবরনে অবস্থিত হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর পবিত্র রওজা জিয়ারত করা। মুসলিম ও ইহুদি উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র এই স্থানটি দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত ও কড়াকড়ির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।

কঠোর সামরিক নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেদ করে অবশেষে রওজা চত্বরে পৌঁছানোর পর এক অন্যরকম আধ্যাত্মিক পরিবেশের দেখা মেলে। অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও হাজারো মানুষ সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন। এই ঐতিহাসিক স্থানটি পরিদর্শনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম এবং তাদের ধর্মীয় ঐতিহ্যের গভীরতা নতুনভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com