• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সেতুমন্ত্রী কফি নয়, লাতে চায়ের রেসিপি দেখুন ‘আমাকে একটু রস দাও’ বলতেই খেজুরের রসে ভরে যায় গ্লাস ভিসা নথির জালিয়াতি কমাতে পারে ভিজিবল ডিজিটাল সিল নারায়ণগঞ্জ এনসিপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হলেন বিএনপির সাবেক এমপির মেয়ে বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে লটারি, চূড়ান্ত তালিকা যেখানে পাওয়া যাবে জাতীয় সংসদ চত্বরকে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কর্ণফুলীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরিতে আরও ২ সপ্তাহ সময় দিলেন হাইকোর্ট ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে কাল, চলবে ৮ কার্যদিবস প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয়: ইসি সচিব

‘আমাকে একটু রস দাও’ বলতেই খেজুরের রসে ভরে যায় গ্লাস

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

ফিচার ডেস্ক: প্রকৃতির সান্নিধ্যে শীতের আমেজ উপভোগ করতে অনেকেই নানা আয়োজন করে থাকেন। শীতের সকালে এক গ্লাস সুস্বাদু খেজুরের রসে চুমুক দেওয়ার আনন্দই আলাদা। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের কথা বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যেখানে ঐতিহ্যবাহী এই পানীয় সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য।

এই আয়োজনের মূল ফটকটি তৈরি করা হয়েছে সম্পূর্ণ খেজুরপাতার পাটি দিয়ে, যা গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অপূর্ব নিদর্শন। ফটকের দুই পাশে টাঙানো হয়েছে সচেতনতামূলক দুটি তাৎপর্যপূর্ণ স্লোগান। একটিতে লেখা রয়েছে ‘রস ঢেকে রাখি, নিরাপদে থাকি’ এবং অন্যটিতে রয়েছে ‘গাছি বাঁচলে গুড়শিল্প বাঁচবে’। এই স্লোগানগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং ঐতিহ্যবাহী গুড়শিল্প বাঁচানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আয়োজনস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থী ও অতিথিরা এই পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। বিশেষ করে গাছিদের ঐতিহ্যবাহী পেশা এবং তাদের কষ্টকে ফুটিয়ে তোলার এই প্রচেষ্টা সবার নজর কেড়েছে। আয়োজকদের মতে, বর্তমান প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং খাঁটি রসের স্বাদ পাইয়ে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে গ্রামীণ বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলার এই উদ্যোগটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। শীতের হিমেল হাওয়ায় এমন নান্দনিক পরিবেশে খাঁটি খেজুরের রস উপভোগ করার সুযোগ পাওয়ায় আনন্দিত সবাই। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com