• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রোনালদোর ২৩ বছরের কীর্তি মাপবেন কী দিয়ে চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেল থেকে ৭ নারী-পুরুষ আটক ‘সুপার সাব’ ইব্রাহিমের গোলে জয়ে শুরু বাংলাদেশের কালুরঘাট সেতুতে ১০ মিনিটের পথ পেরোতে লাগছে এক ঘণ্টা টেলরের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ছে জিম্বাবুয়ে ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট কুমিল্লার একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা এখন ‘বাণিজ্যিক পাড়া‘ গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৫১ বছর পর লাতিনো গভর্নর বেসেরা, চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দিতে পারবেন আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

কুমিল্লার একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা এখন ‘বাণিজ্যিক পাড়া‘

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কুমিল্লা শহরের একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত হাউজিং এস্টেটটি বর্তমানে তার মৌলিক রূপ হারিয়ে ফেলেছে। দীর্ঘ ষাট বছরেরও বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত এই আবাসিক প্রকল্পটি এখন পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে সয়লাব হয়ে গেছে। অথচ ১৯৬১ থেকে ১৯৬২ সালের দিকে শহরটির নাগরিকদের জন্য একটি সুপরিকল্পিত ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় যথাযথ তদারকির অভাবে আবাসিক প্লটগুলো একে একে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।

নগরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রায় ১০৩ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই হাউজিং এস্টেটের বিশাল এলাকাজ জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামো। পুরো আবাসন প্রকল্পটিকে মূলত চারটি পৃথক সেকশনে ভাগ করা হয়েছিল এবং এখানে মোট ৫৬০টি আবাসিক প্লট রয়েছে। শুরুর দিকে এসব প্লটে শুধু বসবাস করার জন্য বাড়ি নির্মাণের নিয়ম থাকলেও বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক প্লটগুলোতে গড়ে উঠেছে নানা ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, যা মূল এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন যে এই অপরিকল্পিত বাণিজ্যিকীকরণের কারণে আবাসিক এলাকার শান্ত পরিবেশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সারাদিন নানা ধরনের যানবাহনের জটলা এবং বহিরাগত মানুষের অতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে এখানকার স্থায়ী বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আবাসিক এলাকার চরিত্র হারিয়ে যাওয়ায় সেখানে বসবাস করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে বলে জানান তারা। অথচ এই এলাকাটিকে একটি আধুনিক ও শান্ত আবাসিক জোন হিসেবে টিকিয়ে রাখার কথা ছিল।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই মূলত এই ঐতিহাসিক আবাসিক এলাকাটি ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক পাড়ায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এসব দোকানপাট ও প্রতিষ্ঠানের কারণে একদিকে যেমন যানজট বাড়ছে, অন্যদিকে নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করলে কুমিল্লার একমাত্র এই পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পটি তার ঐতিহ্য পুরোপুরি হারিয়ে ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পরিবেশবিদ ও বিশিষ্টজনেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com