• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেল থেকে ৭ নারী-পুরুষ আটক ‘সুপার সাব’ ইব্রাহিমের গোলে জয়ে শুরু বাংলাদেশের কালুরঘাট সেতুতে ১০ মিনিটের পথ পেরোতে লাগছে এক ঘণ্টা টেলরের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ছে জিম্বাবুয়ে ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট কুমিল্লার একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা এখন ‘বাণিজ্যিক পাড়া‘ গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৫১ বছর পর লাতিনো গভর্নর বেসেরা, চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দিতে পারবেন আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয়

কালুরঘাট সেতুতে ১০ মিনিটের পথ পেরোতে লাগছে এক ঘণ্টা

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশদ্বারে কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুটি বর্তমানে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লাখো মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে এক চরম দুর্ভোগের নাম হয়ে উঠেছে। এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন পারাপারের সময় মাত্র দশ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে চালক ও যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে হয়। বোয়ালখালী উপজেলাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিয়মিত এই তীব্র যানজটের কারণে মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। নিত্যদিনের এই ভোগান্তি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলছে এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট করছে।

ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রায় পঁচানব্বই বছরের পুরনো এই সেতুটি মূলত ট্রেন চলাচলের জন্য তৈরি করা হলেও পরবর্তীতে সাধারণ যানবাহন চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়। এটি একমুখী সেতু হওয়ায় একদিকে গাড়ি পার হওয়ার সময় অন্য পাশের যানবাহনগুলোকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, যা যানজটের প্রধান কারণ। বোয়ালখালী ছাড়াও পটিয়া এবং দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার মানুষ এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির ওপর ভরসা করেই চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করেন। গত তিন দশক ধরে জোড়াতালি দিয়ে এই সেতুটি সচল রাখা হয়েছে এবং এর ওপর দিয়েই ভারী ট্রেন চলাচল করায় বিশেষজ্ঞরা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘকাল ধরে কালুরঘাট এলাকায় একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই প্রতিশ্রুতি বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিগত কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা নির্বাচনের সময় এই সেতু নির্মাণের জোরালো প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এমনকি জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে জনপ্রতিনিধিদের কান্নাকাটি ও আকুতির পরও এই জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি অবহেলিত থেকে গেছে। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নেতারা এই সেতু নির্মাণকে প্রধান নির্বাচনী ইস্যু করলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নতুন সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলেও প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি এখনো অত্যন্ত মন্থর গতিতে চলছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রকল্পটির কাজ শেষ হতে দীর্ঘ সময় লাগার আশঙ্কা রয়েছে, যা স্থানীয়দের মনে নতুন করে হতাশার জন্ম দিচ্ছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন জনপ্রতিনিধিরা আবারও নতুন সেতুর আশার বাণী শোনাচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান দেখার জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com