• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

নির্বাচনে জালিয়াতির প্রমাণ পায়নি কমিশন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল নেতানিয়াহুর জোট

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত এই ফলাফলে দেখা গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন উগ্র ডানপন্থি জোট পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে নির্বাচনে বড় ধরনের জালিয়াতি ও বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে নির্বাচন কমিশন তার এই সমস্ত অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার পর তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ ও গণনার প্রক্রিয়া নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়েছে। পর্যালোচনায় এমন কোনো সুনির্দিষ্ট অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা নির্বাচনের সামগ্রিক স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে কিংবা চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। কমিশনের চেয়ারম্যান নোয়াম সোলবার্গ স্পষ্ট করেছেন যে, কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় নিয়ে তদন্ত চলমান থাকলেও তা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো নয়।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাডি আইজেনকোট অভিযোগ করেছেন যে, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার মরিয়া প্রচেষ্টায় নেতানিয়াহু গণতন্ত্রের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন। তিনি বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক ভোটগুলোকে বিনা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন গাডি আইজেনকোট। এছাড়া ইসরাইলি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নেতৃত্বাধীন দলগুলোর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

এর আগে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ইসরাইলি নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের একটি বিতর্কিত দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন। শিন বেত ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছিল, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে সেটির সপক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো নাগরিক বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অন্যদিকে, নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ফিলিস্তিনি নাগরিকের ভোটাধিকার প্রয়োগের পর তাদের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থিদের বর্ণবাদী আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com