• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কোরিয়ার পুঁজি আকর্ষণ: ঋণের বাইরে বিনিয়োগের খোঁজ এলপিজি: বিইআরসির দাম এখনো কাগজে, বাড়তি দামেই কিনছেন ক্রেতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন: বেসরকারি ঋণপ্রবাহ তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্নে মুখে এআই ডিভাইস লাগিয়ে আলোচনায় ভারতীয় অধিনায়ক চুল দ্রুত লম্বা ও মজবুত করার ১৪ উপায় ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান, ৩ হাজার কেজি গুড় জব্দ কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়, চাঙা মার্কিন শেয়ারবাজার; কমল তেলের দাম কোরআনের কিছু আয়াত আল্লাহ কেন রহিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটদের উত্থান, রাজনীতিতে এক প্রজন্মের বড় পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের মূল কারণ ইরান যুদ্ধ: ভ্যান্স

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন: বেসরকারি ঋণপ্রবাহ তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্নে

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ প্রায় থমকে গেছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, নতুন বিনিয়োগ তো দূরের কথা, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা তাদের পুরোনো ব্যবসা সম্প্রসারণের উৎসাহও হারিয়ে ফেলছেন। ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ গ্রহণের চাহিদা আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাওয়ায় সামগ্রিক ঋণপ্রবৃদ্ধিতে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে গত তিন দশকের বেশি সময়ের মধ্যে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ এখন সর্বনিম্ন অবস্থানে এসে ঠেকেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত বেশ কিছুদিন ধরে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবৃদ্ধি পাঁচ শতাংশের নিচেই আটকে রয়েছে। চলতি বছরের বিভিন্ন মাসে এই প্রবৃদ্ধি চার শতাংশের ঘরেই ঘোরাফেরা করেছে এবং সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে তা আরও কমে চার দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে। বিনিয়োগ খরা কাটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার কমালেও বাজারের ওপর তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়নি। উচ্চ সুদহার, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং ভ্যাট-কর সংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে সাহস পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

বাণিজ্যিক খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, অনুকূল পরিবেশের অভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্প টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং নতুন করে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আগামী এক বছরে নতুন কোনো ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেই বলে অনেক উদ্যোক্তা জানিয়েছেন। ব্যাংকগুলোও উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তার মুখে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের শ্লথগতি বিরাজ করছে, যা শিল্প খাতের উৎপাদন ক্ষমতাকে সংকুচিত করেছে। অর্থনীতিবিদ ও বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনের মতে, অর্থনীতিতে প্রকৃত গতি না ফিরলে ব্যাংকঋণের চাহিদাও বাড়বে না। নতুন শিল্প স্থাপন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকারকে অবিলম্বে কাঠামোগত সংস্কার ও সুনির্দিষ্ট নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com