• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি ৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

প্রথমবার ডাইনোসরের জীবাশ্মে পাওয়া গেল লাল রক্তকণিকা

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: জুরাসিক পার্ক চলচ্চিত্রের কাল্পনিক ঘটনা এবার বাস্তবের মুখ দেখতে চলেছে। প্রচলিত ধারণা ছিল যে কোটি কোটি বছর আগের প্রাণীদের জীবাশ্মে কেবল শক্ত হাড় বা দাঁত টিকে থাকে এবং নরম অংশ বা রক্ত পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের সেই ধারণার অবসান ঘটেছে। বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো প্রাচীন এক ডাইনোসরের জীবাশ্মের ভেতরে অবিকৃত লাল রক্তকণিকা আবিষ্কার করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল এই অবিশ্বাস্য আবিষ্কারটি করেছেন। তারা অ্যারাটাসরাস নামের একটি থেরোপড ডাইনোসরের পেছনের পায়ের হাড় নিয়ে গবেষণা করছিলেন। আজ থেকে প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে বর্তমান ব্রাজিল অঞ্চলে এই ডাইনোসরটি বিচরণ করত। হাড়ের ভেতরের গঠন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষা করার সময় বিজ্ঞানীরা হুবহু লাল রক্তকণিকার মতো গোল গোল কিছু আণুবীক্ষণিক গঠন দেখতে পান।

বিজ্ঞানীরা হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি-ম্যাস স্পেকট্রোমেট্রি এবং রামন স্পেকট্রোস্কোপির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেন। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হন যে ওই গোলাকার গঠনগুলোর ভেতরে রক্তের মূল উপাদান হিম রয়েছে। মূলত হাউসম্যানাইট নামক এক ধরনের প্রাকৃতিক ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড খনিজের ভেতরে আটকে গিয়ে রক্তকণিকাগুলো খনিজ পদার্থে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই বিশেষ খনিজ আবরণটি বর্মের মতো কাজ করে কোটি কোটি বছর ধরে রক্তের অণুগুলোকে সুরক্ষিত রেখেছিল।

গবেষক দলের অন্যতম প্রধান অধ্যাপক ক্লিটি গ্রাইস এই অর্জনকে বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কার প্রমাণ করে যে জীবাশ্ম মানেই কেবল নির্জীব পাথর বা খনিজের টুকরো নয়, বরং উপযুক্ত পরিবেশে এগুলো আদিম প্রাণীর আণবিক ও রাসায়নিক তথ্যও ধরে রাখতে পারে। গবেষকরা এখন বিশ্বের সব জাদুঘরে সংরক্ষিত জীবাশ্মগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নতুন করে পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com