• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি ৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সীমান্ত এলাকা দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া বা যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এই ধরনের বেআইনি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি অনুযায়ী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের নজরদারির মধ্যেই এই পুশব্যাকের ঘটনাগুলো ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করা অনেক মানুষকে হঠাৎ করেই নাগরিকত্বহীন বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত পার করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অমানবিক আচরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মৌলিক মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহের এমন কর্মকাণ্ড সমাজে বিভেদ ও ভীতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এভাবে সীমান্ত পার করার ঘটনা কেবল অসাংবিধানিকই নয়, বরং এটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। অবিলম্বে এই ধরনের বেআইনি ও জোরপূর্বক বিতাড়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com