• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন ৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত, বরখাস্ত হলেন লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: মাদকদ্রব্য ইয়াবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। কক্সবাজার বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়নের সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারুখ হোসেন খানকে বিশেষ বিচারিক আদালত বা কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তাকে চাকরি থেকে সম্পূর্ণ বরখাস্ত করা হয়েছে যা সামরিক শৃঙ্খলা রক্ষায় একটি কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামরিক বাহিনীতে এ ধরনের অভিযোগে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল বা বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ঘটনা এটিই প্রথম। এর আগে সংবাদমাধ্যমে এসংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। দীর্ঘ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মামলার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে এবং সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে এই মামলায় প্রায় অর্ধশত সাক্ষীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল যাদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই রায় আসে।

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের সীমানা সুরক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না, এই রায়ের মাধ্যমে সেই বার্তাই জোরালোভাবে দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com