• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: ঋণ সুবিধার অপব্যবহার করে ভুয়া রপ্তানি বিল তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। মূলত তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত তিনটি মামলার প্রথমটিতে ২২ জন, দ্বিতীয়টিতে ২২ জন এবং তৃতীয়টিতে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোনো ধরনের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভুয়া আমদানি ও রপ্তানির লেনদেন দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়, যা পরবর্তীতে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের তালিকায় সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য এবং বেক্সিমকো গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও পরিচালক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেছে। কোনো রকম পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কীভাবে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্তে নানা অনিয়ম উঠে এসেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি ঘটনায় মোট ১ হাজার ১২১ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ঘটনায় স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলসহ বিভিন্ন ঋণের নামে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় মামলায় আরবান ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা এবং তৃতীয় মামলায় মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে প্রায় ৫৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং পরস্পরের যোগসাজশে ব্যাংকিং খাতের অর্থ তছরুপ ও বিদেশে পাচারের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় এই মামলাগুলো পরিচালিত হবে। ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com