• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

সব শিক্ষার্থীকে ইন্টার্নশিপের আওতায় আনা হবে

Reporter Name / ১২ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং একে কর্মমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি। সম্প্রতি ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, গত দুই থেকে তিন দশকে দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও শিক্ষার মান নিয়ে সমাজে নানা প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ মেয়াদে পড়াশোনা শেষ করে কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে নিজেদের অর্জিত শিক্ষার মেলবন্ধন খুঁজে পান না। এই সংকট নিরসনে শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক রূপান্তরের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চশিক্ষার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউজিসির পক্ষ থেকে আগামী পাঁচ বছরের একটি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয় এবং নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে এই রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার মান বাড়ানো, ইন্টার্নশিপসহ বিভিন্ন কর্মমুখী কর্মসূচি চালু করা, উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং ডিজিটাল সাক্ষরতার প্রসার ঘটানো। এছাড়া সরকারের অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভাষা শেখার সুযোগও তৈরি করা হচ্ছে।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার বড় একটি দুর্বলতা হলো ইন্ডাস্ট্রি বা কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে একাডেমিয়ার সংযোগের ঘাটতি। এই দূরত্ব ঘোচাতে সব শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপের আওতায় আনার জোরালো প্রস্তুতি চলছে। এতদিন কেবল কৃষি ও চিকিৎসা খাতের গ্র্যাজুয়েটরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেও, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।

গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতেও বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ইতিবাচক ব্যবহারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে, যা অনুসরণ করে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব গাইডলাইন প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি, কারিকুলাম আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং পাবলিক ও বেসরকারি উভয় খাতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে কমিশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com