রাজনীতি ডেস্ক: গাজীপুরের শ্রীপুর থানা ফটকের সামনে হঠাৎ করে ঝটিকা মিছিল বের করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগ। থানা এলাকার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পয়েন্টে এমন আকস্মিক কর্মসূচি পালনের ফলে স্থানীয় লোকজনের মাঝে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই জমায়েত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মিছিলের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তৎপর হয়ে ওঠেন থানা পুলিশের সদস্যরা। পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকেই যুবলীগের ৮ জন নেতাকর্মীকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে তাদের এই অননুমোদিত মিছিলের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর পেছনে আরও কারা উসকানিদাতা হিসেবে কাজ করছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
আটকদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত কঠোর হাতে দমন করার নীতি গ্রহণ করেছে। এই ঘটনার পর শ্রীপুর থানা এলাকা এবং এর আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।