• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পূজায় সম্প্রীতি রক্ষা ও জনস্বার্থে এনসিপির একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পথনাটক ও প্রদর্শনীর আয়োজন সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ দিল্লিতে আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি মাখানোর প্রতিবাদে উদীচীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আয়াস, মারজিয়াদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে জার্মান পর্যটকের সেই ল্যাপটপ নাটোর থেকে উদ্ধার দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ, সুভাস্তু ডেভেলপমেন্টে দুদকের অনুসন্ধান চাঁদাবাজ-দখলদারদের জায়গা নেই বিএনপিতে

‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের

Reporter Name / ৮ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের বাজারে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের প্রবেশাধিকারের অনুমতি প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। দেশটির শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানিকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে তিনি তাকে একপ্রকার কটাক্ষ করেন। মূলত ভারতের টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতেই স্টারলিংকের পথ আটকে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই মার্কিন ধনকুবের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক পোস্টে মাস্ক অত্যন্ত খোঁচা দিয়ে লেখেন যে, ভারতের প্রকৃত ক্ষমতাধর ব্যক্তি আসলে মুকেশ আম্বানি, যা বুঝতে না পারার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে ভারতীয় বাজারে মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ সৃষ্টির জোরালো আহ্বান জানান তিনি। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের ব্যবসায়িক আধিপত্য ধরে রাখতেই রিলায়েন্স কর্তৃপক্ষ বেশি আগ্রহী।

স্পেসএক্সের পরিচালনাধীন স্টারলিংক দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভারতের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাস্কের দাবি অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টিরও বেশি দেশে তাদের সেবা চালু থাকলেও কেবল ভারতেই নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। অথচ ভারতীয় আইন ও সরকারি নীতিমালা মেনেই তারা সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।

স্টারলিংকের পক্ষে বলা হচ্ছে যে, এই সেবা চালু হলে দেশের দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকার মানুষ উচ্চগতির ইন্টারনেটের আওতায় আসবে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়লেও স্যাটেলাইট ইন্টারনেট জীবন রক্ষাকারী যোগাযোগ সচল রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ভারত সরকার এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে জানিয়েছে যে, স্টারলিংকের প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে না এবং সব প্রতিষ্ঠানকে একই নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

ভারতের মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড বাজারের সিংহভাগ অংশীদারিত্ব রয়েছে রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী এয়ারটেলের হাতে। ফলে এই বাজারে স্টারলিংকের মতো প্রভাবশালী বিদেশি প্রতিষ্ঠানের আগমন রুখতে ব্যবসায়িক স্বার্থ কাজ করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত ছাড়পত্র সাপেক্ষে খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com