• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
এবার কেনিয়ায় টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করবে ওয়ালটন ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ অযৌক্তিক উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার অব ডিজঅ্যাবিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম, ভর্তি যেভাবে এক বছর ‘শান্তিভঙ্গ’ না করার শর্তে জামিন পেলেন সিজেপি নেতারা হাসপাতালের জমিতে হচ্ছে আড়ত, অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে আজই আবেদন শেষ দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোডিং ছাড়াই এআই দিয়ে গেম তৈরি করা যাবে গুগলের প্লেগ্রাউন্ড প্ল্যাটফর্মে আইপিইউ সম্মেলন শেষে দেশে ফিরলেন স্পিকার তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন জামায়াত আমির

দক্ষিণ কোরিয়ার জাদুঘরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য

Reporter Name / ৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরের আন্তর্জাতিক জাদুঘর কমপ্লেক্সে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান কালচারাল সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কিম সাং-উক। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী ‘এশিয়ান কালচার উইক ফেস্টিভ্যাল’ চলাকালীন এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। মূলত এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বৈশ্বিক অঙ্গনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এশিয়ান কালচারাল সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি ‘দক্ষিণ এশিয়া জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিশেষ জাদুঘরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, লোকশিল্প, সংগীত এবং সমসাময়িক জীবনযাত্রার নানা উপাদান স্থায়ীভাবে প্রদর্শিত হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীরা খুব সহজেই বাংলাদেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং শেকড় সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারবেন। এসিসির লাইব্রেরিতে আগে থেকেই বাংলাদেশের ইতিহাসভিত্তিক কিছু গ্রন্থ রয়েছে, তবে গবেষণা ও তথ্য বিনিময়ের পরিধি বাড়াতে আরও নতুন বই ও গবেষণাসামগ্রী সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন এশিয়ান কালচারাল সেন্টারটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই ভূগর্ভস্থ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী, গবেষণা এবং বহুমুখী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সাংস্কৃতিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে হানসুং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়েল এস্টেট বিভাগের অধ্যাপক ইয়োন গিল ইউ মত প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। সাংস্কৃতিক যোগাযোগের পাশাপাশি এটি ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে পারে। সব মিলিয়ে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য এক অনন্য মর্যাদাপূর্ণ স্থান লাভ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com