• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ সিম্পসন’স প্যারাডক্স: যখন পরিসংখ্যান মিথ্যা না বলেও ধোঁকা দেয় মানসিক স্বাস্থ্য: যাদের কথা শোনা জরুরি সৌরবিদ্যুতে চলবে এসি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন, নতুন ব্যবস্থা চালু করল ওয়ালটন রাত জেগে মায়ের লিখে দেওয়া নোট পড়ে সফলতা পেল তাসমিয়া মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক রমজানের বাকি ১২০ দিন: প্রস্তুতি শুরু করুন এখনই ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা, আজীবন সম্মাননা পেলেন দুই বরেণ্য লেখক ‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’ কাঁচি থেকে ওয়াশিং পাউডারের বোতল, এই জাদুঘরের প্রতিটি স্মারকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নোবেলজয়ীদের গল্প

মঙ্গল গ্রহের বিরল ছবি তুলল নাসা

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার রোবটযান কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহের ভোরের আলোয় আলোকিত খাড়া পাহাড়ের অত্যন্ত বিশদ ও বিরল কিছু ছবি ধারণ করেছে। গত ১১ আগস্ট কিউরিওসিটির মাস্টক্যাম যন্ত্রের সাহায্যে এই ছবিগুলো তোলা হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলোকে জোড়া লাগিয়ে একটি বিস্তৃত দৃশ্যপট তৈরি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে লাল গ্রহের ভূপ্রকৃতির এমন স্পষ্ট ছবি পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন বিজ্ঞানীরা, যা সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই ছবিগুলোতে বাতাসের ক্ষয়ে তৈরি পাহাড়ের খাঁজ ও সুনির্দিষ্ট গঠন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

ছবিটিতে মঙ্গলের ভোরের আলোর সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক রূপ বজায় রাখা হয়েছে। নাসা জানিয়েছে যে ছবিগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় কৃত্রিমভাবে কোনো সাদা রঙের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি, যার ফলে সকালের মিষ্টি আলোয় পাহাড়ের প্রকৃত সৌন্দর্য ও গঠন চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এই বিশদ চিত্রগুলো বিজ্ঞানীদের লাল গ্রহের পাহাড় ও শৈলশিরাগুলোর উৎপত্তির ইতিহাস সম্পর্কে আরও গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে সুদূর পাহাড়ের গায়ে সকালের তির্যক আলো পড়ার কারণে সেগুলোর ভেতরের স্তর বিন্যাস ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যগুলো খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে।

ছবিতে দিগন্তজুড়ে দৃশ্যমান লম্বা ও খাঁজকাটা শৈলশিরাগুলোকে ভূতাত্ত্বিক ভাষায় ইয়ারড্যাং বলা হয়ে থাকে, যা মূলত দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসের ক্ষয়কাজে সৃষ্ট হয়। নাসার তথ্য অনুযায়ী মাউন্ট শার্পের উত্তর-পশ্চিম অংশে এই ধরনের ভূপ্রকৃতির স্তর প্রায় ১৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। প্রায় তিন মাইল উঁচু এই মাউন্ট শার্পে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করছে কিউরিওসিটি রোভার। সম্প্রতি রোভারটি প্রায় এক কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে, যা মঙ্গল গ্রহে এ যাবৎকালের যেকোনো রোভারের জন্য একটি অনন্য উচ্চতার রেকর্ড।

নাসার দুটি গাড়ি আকৃতির রোবটযান কিউরিওসিটি ও পারসিভিয়ারেন্স গত কয়েক বছর ধরে লাল গ্রহের বুকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এই রোবটগুলোর মূল লক্ষ্য হলো মঙ্গল গ্রহে অতীতে কখনো অণুজীব বা প্রাণের অস্তিত্বের উপযোগী পরিবেশ বিরাজ করছিল কি না, তার সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুঁজে বের করা। ২০১২ সালের আগস্টে গেইল গহ্বরে অবতরণ করার পর থেকে কিউরিওসিটি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে ড্রিল মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন শিলার প্রায় ৪২টি গুঁড়ার নমুনা সংগ্রহ করেছে। মাউন্ট শার্পে আরোহণের পাশাপাশি এই অভিযানের অংশ হিসেবে বিজ্ঞানীরা সেখানে বেশ কিছু জৈব যৌগের উপস্থিতি শনাক্ত করতে পেরেছেন, যা মহাকাশ গবেষণায় এক বিরাট অগ্রগতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com