• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর রাষ্ট্র-রাজনীতিতে উলামায়ে কেরামকে উপেক্ষার পরিণতি কখনো ভালো হয় না: চরমোনাই পীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুই পাহাড়ে হবে সেনা ক্যাম্প: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড, চুক্তি সই চক্ষু স্বাস্থ্য উন্নয়নে ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সংযোগ চালু, যা বললেন মাস্ক গুণগত শিক্ষার বদলে ৯৫ শতাংশ পাসের রাজনীতি হয়েছে: রিজভী বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস সার্কিট হাউসে নতুন ভিসির রুদ্ধদ্বার বৈঠক, ১৭ দিনেও অচল চুয়েট

বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সংযোগ চালু, যা বললেন মাস্ক

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের বাজারে বাণিজ্যিকভাবে স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল বা ডিটুসি সেবা চালুর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে স্যাটেলাইট প্রযুক্তিনির্ভর এই অভিনব মোবাইল সংযোগের যাত্রা শুরু হলো। সম্প্রতি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতা বহির্ভূত দুর্গম এলাকাগুলোতেও এখন সহজে মোবাইল সংযোগ পাওয়া সম্ভব হবে।

নতুন এই সেবা চালুর ফলে গ্রাহকদের বাড়তি কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না এবং বিশেষ কোনো যন্ত্র বা স্যাটেলাইট ডিশের প্রয়োজন পড়বে না। বাংলালিংকের নিয়মিত সংযোগ এবং ফোরজি-সক্ষম সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ডিটুসি কভারেজ এলাকার গ্রাহকেরা এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। শুরুতে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকেরা মূলত বার্তা পাঠানো, ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদান এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো অ্যাপে কল করার সুবিধা পাবেন। খোলা আকাশের নিচে বা আকাশ দেখা যায় এমন যেকোনো স্থান থেকেই এই স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যাবে।

বাংলালিংকের প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্টারলিংকের উন্নত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি যুক্ত করে মূলত এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে গভীর সাগর, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, উপকূলীয় অঞ্চল এবং পাহাড়ি এলাকার মতো নেটওয়ার্কহীন স্থানগুলো সহজেই যোগাযোগের আওতায় চলে আসবে। বিশেষ করে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে, দুর্গম অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষ এবং পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকেরা এই সেবার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। এছাড়া আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে প্রচলিত টাওয়ারগুলো অকার্যকর হয়ে পড়লেও এই স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে জরুরি যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এই যুগান্তকারী উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়োহান বুসে জানান যে, এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের জীবন সহজ করা। সাগরের মাঝে থাকা জেলে থেকে শুরু করে দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষ যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, সেটাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। স্টারলিংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক সংযোগ পৌঁছে দিতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে দেশের আরও বেশি মানুষ আরও অনেক বেশি জায়গা থেকে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com