• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চক্ষু স্বাস্থ্য উন্নয়নে ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সংযোগ চালু, যা বললেন মাস্ক গুণগত শিক্ষার বদলে ৯৫ শতাংশ পাসের রাজনীতি হয়েছে: রিজভী বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস সার্কিট হাউসে নতুন ভিসির রুদ্ধদ্বার বৈঠক, ১৭ দিনেও অচল চুয়েট ইলিশ বাংলাদেশের গর্ব, রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিহারে বিক্ষোভ, দিল্লিতে আজও মাঠে নামবেন বিরোধীরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোটেই তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী: এমপি বুলু বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় রাবির ১৬ গবেষক ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

সার্কিট হাউসে নতুন ভিসির রুদ্ধদ্বার বৈঠক, ১৭ দিনেও অচল চুয়েট

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হয়ে ১৭তম দিনে গড়িয়েছে। উদ্ভূত সংকট নিরসন এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় বলে জানা গেছে। তবে এই প্রশাসনিক বৈঠকের পরও ক্যাম্পাসের অচলাবস্থা পুরোপুরি কাটেনি।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছেন না নবনিযুক্ত উপাচার্য। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছেন। মূলত সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের এই ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে সংকট চলাকালীন নতুন উপাচার্যের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের মূল বেতন এবং উৎসব ভাতা সাময়িকভাবে আটকে দেওয়া হয়। পূর্বানুমোদন ছাড়া বেতন-ভাতার বিল ব্যাংকে প্রেরণের অভিযোগ তুলে উপাচার্যের নির্দেশে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখাকে এই ভাতা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীরা ব্যাংক শাখা ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। আন্দোলন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে উক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমস্ত বেতন ও উৎসব ভাতা ছাড় করে দেয়।

সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কী ধরনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা নিরসনের একটি ক্ষীণ আশা তৈরি হলেও, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের অচলাবস্থা ভাঙতে আরও সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com