• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭% কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় দল নেবে না: হুইপ জি কে গউছ রংপুরের উন্নয়নে ১৮শ কোটি টাকা বরাদ্দ, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির র‍্যালি বিবিএসের প্রতিবেদন: খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াল ৭.২২%, আরও বাড়ার শঙ্কা ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগের দুই নেতা, দেড় বছর পর বহিষ্কার

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, দিনে ৫০-৭০ লাখ ঘনফুট উত্তোলনের আশা

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া গেছে যা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি খবর। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী খননকাজ শেষ হওয়ার পর কূপে স্থাপন করা পাইপের মুখে আগুন জ্বেলে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্সের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই কূপ খনন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে এই মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপটির অবস্থান। এর আগে একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় আরও তিনটি কূপ খনন করা হয়েছিল এবং নতুন এই কূপটিও একই ভূগর্ভস্থ কাঠামোর অংশ হওয়ায় এটিকে সুন্দলপুর-৪ নামে নামকরণ করা হয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই কূপটির খনন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছিল।

প্রকল্পের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিগত দল জানিয়েছে, কূপটিতে অত্যাধুনিক ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতি এবং আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে প্রায় দেড় হাজার মিটার পর্যন্ত গভীরতা পর্যন্ত সফলভাবে খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনির্দিষ্ট গভীরতার একটি স্তরে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের মজুত শনাক্ত করা হয়। পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শেষ হলে এই গ্যাস পরবর্তীতে জাতীয় জ্বালানি গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর বর্তমানে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা পরিচালনার কাজ চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা পুরোপুরি সম্পন্ন হলে কূপটিতে মোট ঠিক কত পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং এর প্রকৃত উত্তোলন সক্ষমতা কত, সে বিষয়ে স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। তবে প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com