• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ পদে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগের দুই নেতা, দেড় বছর পর বহিষ্কার গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে আধিপত্যবাদবিরোধী অঙ্গীকার ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম নিত্যপণ্যের যোগসাজশমূলক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ সংসদীয় কমিটির অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে মানিকগঞ্জ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের অপসারণ দাবি

গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ

Reporter Name / ৯ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত নতুন তথ্যে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতির চিত্র উঠে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের চতুর্থ তথা শেষ প্রান্তিকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত সময়সীমায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে চার দশমিক ৬০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে বেশ কম ছিল। অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরানোর মতো এই অর্জনের ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে কিছুটা চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, চলতি মূল্যের হিসেবে আলোচ্য শেষ প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকার বেশি। আগের অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে এই জিডিপির পরিমাণ ছিল চৌদ্দ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি। মূলত বিভিন্ন খাতের সম্মিলিত অবদানের ফলেই জিডিপির এই আকার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আলোচিত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির গতি বিভিন্ন মাত্রায় ওঠানামা করেছিল। বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী থাকলেও পরবর্তীতে তা কিছুটা মন্থর হয়ে পড়েছিল। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে এসে প্রবৃদ্ধির এই উল্লম্ফন বার্ষিক হিসাবকে ইতিবাচক অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। গত চার প্রান্তিকের সার্বিক হিসাব বিবেচনায় নিয়ে স্থির মূল্যে শেষ হওয়া পুরো অর্থবছরের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে তিন দশমিক ৬৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শেষ প্রান্তিকে অর্থনীতির প্রধান তিন খাতের মধ্যে শিল্প ও সেবা খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি উল্লম্ফন দেখিয়েছে এবং এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তা ছয় শতাংশের বেশি গিয়ে ঠেকেছে। একই সঙ্গে সেবা খাতের কার্যক্রমেও গতি ফিরেছে এবং আগের বছরের তুলনায় এর প্রবৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে সার্বিক প্রবৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারার বিপরীতে একমাত্র কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি সামান্য হোঁচট খেয়েছে এবং আগের বছরের তুলনায় এর হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com