• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের পরিকল্পনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ ভারতে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের মাটিতে বসে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত ও নির্বাসিত নেতাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সম্প্রতি এক কূটনৈতিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, প্রতিবেশী দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে দলটির এই ধরনের কার্যক্রম কোনোভাবেই বাংলাদেশ সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে কূটনৈতিক মহলে এই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সেখান থেকে পরিচালিত রাজনৈতিক তৎপরতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইউনূসের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফরকে সামনে রেখে এই বিষয়টি অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে দুই দেশের ঊর্ধ্বতন মহলে এই বিষয়ে আলোচনা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর তাগিদ অনুভব করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, দেশের অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশ থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বরদাশত করা হবে না বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি দেশের স্বার্থ রক্ষা করাটাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকগুলোতে এই স্পর্শকাতর ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের আস্থার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সঠিক ও সময়োপযোগী কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমেই কেবল এই জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com