• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের দাবির মুখে রাবির জিয়া হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের পরিকল্পনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ ভারতে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত বিয়ের ১৪ দিন আগে ডেঙ্গুতে মৃত্যু, নিথর কপালে সিঁদুর পরালেন হবু বর ১৪ মিনিটে ৪ গোল, বেলজিয়ামের বিপক্ষে নাটকীয় জয় ফ্রান্সের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ তুরস্কের জালে ইতালির ৩ গোল খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার ও শাস্তি দাবি ডুজার ‘ভিপি নুরের নির্দেশ, ৫ লাখ টাকার কম হবে না’, ফোনালাপ ফাঁসের পর যুব অধিকার নেতা বহিষ্কার

গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম একটি প্রাচীন রূপ হিসেবে গ্রাম সরকার পুনর্বহালের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত সময়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের বিভিন্ন মহলে এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা ধরনের মতামত ও বিশ্লেষণ সামনে আসছে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সেবামূলক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে এই ভাবনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে প্রথমবার ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। ওই সময় স্থানীয় জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে গঠিত এই পরিষদগুলো গ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যবস্থার কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে এবং একপর্যায়ে তা বাতিল করা হয়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনকে আরও নিচুতলায় পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ থেকে সেই ঐতিহাসিক মডেলটি নিয়ে পুনরায় পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।

গ্রাম সরকার পুনর্বহালের এই আলোচনার পাশাপাশি জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক একটি দিনকে স্মরণ করে আগামী সাত নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাতই নভেম্বরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে এবং এই দিনটিকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে। সাধারণ ছুটির এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কার্যক্রম নির্দিষ্ট ওই দিনটিতে বন্ধ থাকবে, যা পরবর্তীতে অফিসিয়াল আদেশের মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।

সবমিলিয়ে দেশের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোর সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের এই পদক্ষেপগুলো বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। একদিকে তৃণমূলের শাসনব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে ঐতিহাসিক দিনগুলোর মর্যাদাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে যে, এই নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com