• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ছে জি-৭ দেশগুলো কেন অনামিকাতেই আংটি পরা হয়? জানুন বিয়ের আংটির অজানা ইতিহাস ময়মনসিংহে দুর্ঘটনা : মারা গেলেন এক পরিবারের চার প্রজন্মের চারজন বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর ইন্তেকাল উপাসনালয়ে নিরাপত্তা দিতে না পারা অত্যন্ত উদ্বেগের: আসিফ মাহমুদ ছুরিকাঘাতের পরও ককপিটের দরজা খুলেছিলেন পাইলট, ভয়ংকর সেই রাতের কথা জানালেন মোদিকে বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই ভারতকে সম্মান করেই খেলবে ব্রাজিল, বললেন আনচেলত্তি বাংলাদেশে কীভাবে ও কেন কোরিয়ান সংস্কৃতি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠলো?

বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ছে জি-৭ দেশগুলো

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির ক্রমবর্ধমান চাপ প্রশমিত করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিজেদের জরুরি আপৎকালীন মজুত থেকে যৌথভাবে ১০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও ডিজেল বিশ্ববাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী চার মাসের মধ্যে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট ধাপে এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা বর্তমান অস্থির পরিস্থিতি সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই যৌথ পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্বনেতাদের এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল বিদেশে রপ্তানি বন্ধের হুমকির পর বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ওয়াশিংটনের এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল আমদানিনির্ভর ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের নিজস্ব কৌশলগত মজুত ব্যবহারে বাধ্য করা, যা ইউরোপীয় অর্থনীতিকে বেশ চাপের মুখে ফেলেছিল। পরবর্তীতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের মাধ্যমে কূটনৈতিক বরফ গলে এবং জি-৭ নেতাদের এই জরুরি বৈঠকটি আহ্বান করা হয়।

বৈঠক শেষে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো জানিয়েছে যে, জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কোনো ধরনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করাকেই তারা বর্তমানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বৈঠক পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে, ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের বিপুল পরিমাণ কৌশলগত মজুত থেকে তেল ও ডিজেল বাজারে ছাড়তে একমত হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে। অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মতে, শোধনাগারগুলোতে জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো, ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল জরুরি মজুত বাজারে সরবরাহ করা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য বজায় রাখতে তাঁরা সবাই একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। উল্লেখ্য, জি-৭ জোটের অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, জাপান, কানাডা, জার্মানি ও ইতালি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com