• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনের সময় বাড়লো কাজ শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না ৭৪ বছরের আব্দুল মালেকের সিসিটিভি বন্ধ করে গির্জার ৭০ কেজি ওজনের ঘণ্টা চুরি, ডাস্টবিনে উদ্ধার শরীয়তপুরে দেড় হাজার কোটি টাকার বাঁধে ধস, পদ্মায় বিলীন ৪০ মিটার মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে বাবা-ছেলেসহ গুরুতর আহত ৩ মিসরের পিরামিডে ঢুকলে কি অভিশাপ লাগতে পারে বিশ্বকাপে এবারই প্রথম হতে যাচ্ছে তিনটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ, যদি… কাঁচি হাতে নরসুন্দর বাবলু, কাজের ফাঁকে ডুবে থাকেন বইয়ে গুলশানে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ‘মদের গুদাম’ সিলগালা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

শরীয়তপুরে দেড় হাজার কোটি টাকার বাঁধে ধস, পদ্মায় বিলীন ৪০ মিটার

Reporter Name / ০ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধে আকস্মিক ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সন্ধ্যা নাগাদ শুরু হওয়া এই ভাঙনে মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। ফলে নদীর তীরবর্তী জনবসতি এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

এর আগে গত কিছুদিন ধরে ওই এলাকার বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশে ফাটল দেখা দিয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই নদীতীরবর্তী মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে বাঁধ রক্ষার প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তবে সেই প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার আগেই ফাটল ধরা অংশটি নদীগর্ভে ধসে পড়তে শুরু করে।

সুরেশ্বর লঞ্চঘাট ও মাছঘাট এই অঞ্চলের অন্যতম একটি ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা এখানে মাছ কেনাবেচা করতে আসেন এবং এই এলাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। হঠাৎ করে বাঁধ ধসে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট ও মূল্যবান মালামাল দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ভাঙন দ্রুত রোধ করা না গেলে পুরো বাণিজ্যিক এলাকাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বাঁধ ধসের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ভাঙন রোধে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং এক ইঞ্চি জমিও যেন পদ্মায় বিলীন না হয় সে বিষয়ে তারা সচেষ্ট আছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জোরেশোরে বালুভর্তি জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com