• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর পদত্যাগ করছেন বিএনপির এমপি মিষ্টি এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান ফাইনাল ডেঙ্গু মোকাবিলায় ৫ লাখ টেস্ট কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর পথে, থাকছে যেসব কর্মসূচি রুশ ভূখণ্ড ‘অবরোধের প্রস্তুতি’ ন্যাটোর, জবাবে পারমাণবিক হামলার হুমকি মস্কোর আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ কৌতূহলের বশে ভিমরুলের চাকে পাটখড়ির খোঁচা, কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু

রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর

Reporter Name / ০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী সাভার এলাকার বিভিন্ন গোপন আস্তানা, রিসোর্ট, ডরমিটরি ও কোচিং সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন স্পর্শকাতর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগে থেকেই সংগ্রহ করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে পরীক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থায় এসব স্থানে এনে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে কার্যক্রম চালানো হতো।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে কাজ করত যাতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি এড়ানো যায়। সাধারণ অতিথি বা মেহমান হিসেবে সাভারের বিভিন্ন অভিজাত রিসোর্ট কিংবা রাজধানীর কোনো এনজিওর ডরমিটরিতে কক্ষ ভাড়া নিত তারা। কখনো কখনো পানি ফিল্টারের গুদাম বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালেও এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, যা বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় ছিল না।

পরীক্ষার আগের রাতে পরীক্ষার্থীদের এসব গোপন ঠিকানায় একত্রিত করে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হতো। এরপর সেখানে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে তা রাতভর জোরপূর্বক মুখস্থ করানো হতো যাতে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে গিয়ে সহজেই সঠিক উত্তর দিতে পারে। চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করত এবং অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষায় এবং এ ধরনের দুর্নীতির শেকড় উৎপাটনে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। সম্প্রতি এই চক্রের কিছু সদস্য আটকের পর বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য, যা দেশের পুরো শিক্ষা খাতকে চরমভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com