বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের একটি সাংগঠনিক চিঠির তথ্য অনুযায়ী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে আম্মারের সম্পৃক্ততা ছিল বলে জানা গেছে। গত বছর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার ঘটনার দীর্ঘ এক বছর পর এই নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ নথিপত্র এবং সাংগঠনিক চিঠি যাচাই করে দেখা গেছে যে তিনি ছাত্রশিবিরের একজন ‘সাথি’ পদমর্যাদার কর্মী ছিলেন। ছাত্ররাজনীতির জটিল সমীকরণে এই তথ্য সামনে আসার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে আম্মারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে তিনি ছাত্রশিবিরের সঙ্গে অতীতে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা সরাসরি অস্বীকারও করেননি। তার এমন নীরবতা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে নানা ধরনের প্রশ্ন ও জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রসংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং পদপদবি নিয়ে নিয়মিত নানা তথ্য প্রকাশ পায়। তবে বহিষ্কারের এতদিন পর রাজনৈতিক পরিচয়ের এই নতুন দিক উন্মোচিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে।