• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

উচ্চকক্ষ নিয়ে প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ বেঁধে দেওয়া ঠিক হবে না

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত parliamentary বিশেষ কমিটির সঙ্গে সম্প্রতি গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও টক শো ব্যক্তিত্বদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে আয়োজিত এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়। অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে, একক রাষ্ট্রব্যবস্থার এই দেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ আদৌ কার্যকর হবে কি না, তা গভীরভাবে ভেবে দেখা উচিত। এছাড়া সংসদীয় এই ব্যবস্থায় একক ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া সমীচীন নয় বলেও বৈঠকে মতপ্রকাশ করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান যে জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে অতীতে বিএনপিসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দল এই প্রস্তাবে একমত পোষণ করেছিল। তবে সাম্প্রতিক এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী পদের এই মেয়াদসীমা নির্ধারণের বিধানটিকে অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করেছেন। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র রোধ করার লক্ষ্যেই মূলত বিএনপির পক্ষ থেকে এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছিল।

সংবিধান সংস্কারের এই আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার স্থায়ী রূপরেখা নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উঠেছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা এবং সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শও দিয়েছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা হলে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে এবং বর্তমান এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদই যেখানে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, সেখানে নতুন কক্ষের কার্যকারিতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশেষ কমিটির সভাপতি জানান যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি এবং এর কাঠামোগগত রূপ কেমন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জুলাই জাতীয় সনদে যেসব বিষয়ে কিছু ভিন্নমত রয়েছে, তা বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধান করা যেতে পারে। তবে এর জন্য বিরোধী দলগুলোকে কার্যকর সংলাপে অংশ নিতে হবে এবং সংসদীয় ফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব উত্থাপন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com