• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক ইন্ডিয়া জোটের ৪৩ কোটি টাকা লোপাট: পি কে হালদারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ জন আটক এ বছর ৪৩ লাখ কৃষকের হাতে যাবে ‘কৃষক কার্ড’ ইসরায়েলগামী বিমানে পাইলটদের মারামারি-ছুরিকাঘাত ও সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ, কী জানা যাচ্ছে? ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় বিছিয়ে ২২ প্রার্থীর অনশন যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন হার্টে সমস্যা মিরপুরে উচ্ছেদ ঘিরে হামলা-অগ্নিসংযোগ, পরে আবারও অভিযান হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার চার্জ গঠন শুনানি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর ডিবি পরিচয়ে ফোন, পরে নিখোঁজ হন ফটোসাংবাদিক বাদল দাস

হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১

Reporter Name / ৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় সংসদের হুইপ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের কণ্ঠস্বর নিখুঁতভাবে নকল করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব কায়দায় এই প্রতারণা চালানো হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মেহেদী হাসান ওরফে বাবুল এবং মো. ইমরান শরিফ রনি। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুলনাঞ্চল থেকে তাঁদের আটক করে এবং পরবর্তী সময়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে এই প্রতারণা মামলার সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁদের নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন, যা আদালত আমলে নেন।

এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতারা মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্লাটিনাম জুট মিলের পুরনো ও অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বিক্রির লোভ দেখিয়েছিল। হুইপের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জি এম আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং বিশ্বাস অর্জন করে তাঁর কাছ থেকে সর্বমোট সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। আকস্মিক এই প্রতারণার শিকার হয়ে ব্যবসায়ী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

এদিকে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পুলিশ ইতোমধ্যে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে থেকে অন্তত ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। মামলার অন্য এক আসামি মো. সোহেলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুই দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং বাকি অর্থ উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com