• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
থার্ড টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান মাগুরায় এক বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রি কি নিষিদ্ধ? হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১ ‘মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হয়ে থাকতে চাই’: কীভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ১৯ বার শিরোপা জেতা ৯০ বছরের বডিবিল্ডার জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শেষ ৬ জুনের মধ্যে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি

দুই দিনে সাতজনকে হত্যা, মণিপুরে কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে কেন?

Reporter Name / ৩ Time View
Update : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি রাজ্যটির বেশ কিছু এলাকায় নাগা এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে গত দুই দিনের ব্যবধানে কমপক্ষে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মণিপুরের পাহাড়ি ও উপত্যকা অঞ্চলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক টানাপোড়েন চলে আসছে। সাম্প্রতিক এই সংঘাত সেই পুরনো বিভাজনকে আরও গভীর করে তুলেছে। বিশেষ করে দুই সম্প্রদায়ের সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক হামলা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে রাজ্য প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো যৌথভাবে টহল দিচ্ছে। তবে পাহাড়ি বনাঞ্চল ও দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে সংঘাতের মূল কারণগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজমান পারস্পরিক অনাস্থা ও ভীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি সব পক্ষের মধ্যে আস্থার সংকট দূর করা না গেলে এই সংঘাত থামানো কঠিন হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন এবং সহিংসতার শিকারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জোরালো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com