জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে সম্প্রতি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এই নিয়োগের ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁর এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাতিসংঘের এই বিশেষ পদে মূলত আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আইনি সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় আইনি জটিলতা নিরসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়। লিগ্যাল অফিসাররা বিশ্বজুড়ে শান্তি, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা ও আইনি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যলয় অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এখানকার কর্মকর্তাদের অত্যন্ত উচ্চমানের পেশাগত দক্ষতা ও আইনি জ্ঞানের অধিকারী হতে হয়।
জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের অত্যন্ত কঠোর ও প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিশ্বমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আন্তর্জাতিক আইনের ওপর গভীর জ্ঞান এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দীর্ঘ ও সফল কর্মঅভিজ্ঞতার পরই কেবল এই ধরনের পদে কাজের সুযোগ মেলে। ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের এই নিয়োগে তার নিখুঁত পেশাগত যোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে তার দক্ষতারই স্বীকৃতি মিলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে এই পদের দায়িত্ব পালন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হলেও এটি একই সঙ্গে একটি চ্যালেঞ্জিং পেশাগত ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। বিশ্ব রাজনীতির নানা সমীকরণ এবং আন্তর্জাতিক নানা সংকটের আইনি দিকগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করে এই পদের কর্মকর্তাদের মতামত দিতে হয়। ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের এই সফল কর্মজীবন ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য মেধাবী ও দক্ষ তরুণদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।