• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম কেয়ামতের ছোট ৫ আলামত: নবীজির দৃশ্যমান ভবিষ্যদ্বাণী নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা নৌবাহিনীর তিন জাহাজ

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ একটি বিশেষ শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এসে পৌঁছেছে চীনা নৌবাহিনীর তিনটি সুসজ্জিত যুদ্ধজাহাজ। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিপলস লিবারেল আর্মি নেভির এই জলযানগুলো চট্টগ্রাম জলসীমায় নোঙর করে এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে এই ধরনের সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছানো চীনা যুদ্ধজাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে থাং শান, দা ছিং এবং থাই হু নামের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জলযান। এগুলোর প্রতিটিই আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক অভিযানে পারদর্শী। শুভেচ্ছা সফরের অংশ হিসেবে আসা এই জাহাজগুলোর কমান্ডিং অফিসার ও নাবিকদের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং বিভিন্ন পেশাগত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, চীনা নৌবাহিনীর এই জাহাজগুলোর অবস্থানকালে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বৈঠক, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া, নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে সাধারণ দর্শনার্থী ও স্থানীয় নৌবাহিনীর সদস্যদের জন্য জাহাজগুলো পরিদর্শনের সুযোগও রাখা হতে পারে।

নির্ধারিত পাঁচ দিনের এই শুভেচ্ছা সফর সফলভাবে সম্পন্ন করার পর চীনা যুদ্ধজাহাজগুলো তাদের পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ধরনের বন্ধুভাবাপন্ন নৌ-সফর বাংলাদেশ ও চীনের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com