• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম কেয়ামতের ছোট ৫ আলামত: নবীজির দৃশ্যমান ভবিষ্যদ্বাণী নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার পুনর্বাসনের আলোচনার আগে নিষিদ্ধ আ.লীগের বিচারের দাবি জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ কাগজে কলমে ২ বালুমহাল ইজারা শ্রীমঙ্গলে, বাস্তবতা ভিন্ন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের দৃষ্টিতে ২০২৭ সালে ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি গন্তব্য রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে মিশছে সিসা, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ গবেষণা বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া

Reporter Name / ০ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: বৃষ্টি মহান আল্লাহর এক অপার কুদরতের নিদর্শন এবং পৃথিবীর মানুষের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। বৃষ্টির পানির স্পর্শে মৃত জমিন প্রাণ ফিরে পায়, কৃষিজমি উর্বর হয়ে ওঠে এবং মানবজাতিসহ সকল প্রাণিকুলের পানির চাহিদা পূরণ হয়। পবিত্র কোরআনেও বৃষ্টিকে মহান আল্লাহর রহমত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই আকাশে মেঘ জমে যখন বৃষ্টি নামতে শুরু করে, তখন প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব হলো আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো বিশেষ দোয়াটি পাঠ করা।

বৃষ্টি শুরু হওয়ার সময় পড়ার একটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া রয়েছে। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে যে, উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বৃষ্টি হতে দেখতেন, তখন তিনি উচ্চারণ করতেন আল্লাহুম্মা সাইয়িবান নাফিআ। এর মাধ্যমে মূলত আল্লাহর দরবারে এমন বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয় যা প্রাকৃতিকভাবে কল্যাণকর ও উপকারী হয়। কারণ সব ধরনের বৃষ্টি সমানভাবে মানবজাতির উপকারে আসে না। কোনো বৃষ্টি ফসল উৎপাদনে সহায়তা করলেও অতিবৃষ্টি বা প্রলয়ংকরী বন্যা অনেক সময় জনজীবন বিপর্যস্ত করে তোলে। তাই মুমিন মুসলমানরা এই দোয়ার মাধ্যমে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে কেবল কল্যাণকর বৃষ্টির জন্যই প্রার্থনা জানান।

ইসলাম ধর্মে বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক ঘটনাকে কেবল সাধারণ কোনো আবহাওয়া পরিবর্তন হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো এই রহমতকে সাদরে গ্রহণ করার জন্য প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির সময় নিজের শরীরের কিছু অংশ বৃষ্টির পানিতে ভেজাতেন। সাহাবিরা এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতেন যে এই পানি সবেমাত্র তাঁর রবের কাছ থেকে এসেছে। এই অমূল্য হাদিস থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বৃষ্টি দেখলে বিরক্তি প্রকাশ না করে বরং স্রষ্টার রহমতের কথা স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বৃষ্টির প্রভাব অপরিসীম এবং এটি আমাদের জীবনধারণের অন্যতম প্রধান উপাদান। শুষ্ক প্রকৃতিকে সজীব করা, ফসলের মাঠ সবুজ করা এবং পানির সংকট দূর করার মধ্য দিয়ে বৃষ্টি আমাদের বেঁচে থাকার পথ সুগম করে। তাই যখনই মুষলধারে বা ঝিরিঝিরে বৃষ্টি শুরু হবে, তখনই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করে এই সংক্ষিপ্ত দোয়াটি পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবন, প্রকৃতি এবং সমগ্র পরিবেশের জন্য কল্যাণ ও বরকত কামনা করতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com