• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ কারও ড্রেসআপ ঠিক নেই, এরা চিকিৎসক, নার্স না কি দালাল: ঢামেকে অভিযানে দুদক চেয়ারম্যান কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল থেকে আটক ৩: পুলিশ রোনালদোকে নিয়ে সৌদি সাংবাদিকের দাবিতে তুমুল বিতর্ক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চলছে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, আটকা ৪৫০ পণ্যবাহী ট্রাক ব্যবসায়ী সংগঠন রাজনীতির বাইরে থাকলে সরকারেরই লাভ

স্বাস্থ্যশিল্পে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ বিনিয়োগের আহবান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমাদের এই অঞ্চলে স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় তিনি স্বাস্থ্যশিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির এই জোরালো তাগিদ দেন। মূলত এই অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এবং স্বাস্থ্যখাতকে আরও যুগোপযোগী করতে যৌথ উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন। তার এই আহ্বান সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার পথ দেখিয়েছে।

বিশেষ করে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলের ওপর ভিত্তি করে যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল স্বাস্থ্য অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সেবার মান বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই ধরনের অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে তা সামগ্রিক অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যশিল্পকেও অনেক দূর এগিয়ে নেবে। এছাড়া বড় ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং উন্নত গবেষণার ওপরও মন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন। তার মতে, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে যৌথভাবে গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। নতুন ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ উন্নয়নে আঞ্চলিক দেশগুলোর গবেষক ও চিকিৎসকদের একসঙ্গে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এর ফলে চিকিৎসা গবেষণায় পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির আদান-প্রদান সহজতর হবে এবং সাধারণ রোগীরা এর সুফল ভোগ করবেন।

সবশেষে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই দূরদর্শী আহ্বান বাস্তবায়িত হলে গোটা অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক বিশাল ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সঠিক পরিকল্পনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই যৌথ উদ্যোগগুলো এগিয়ে নেওয়া গেলে তা ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় বড় অস্ত্র হয়ে উঠবে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা আশা করছেন, সরকারের এই সদিচ্ছা ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী খুব দ্রুতই দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র অঞ্চলের স্বাস্থ্যশিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com