• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম কেয়ামতের ছোট ৫ আলামত: নবীজির দৃশ্যমান ভবিষ্যদ্বাণী নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার পুনর্বাসনের আলোচনার আগে নিষিদ্ধ আ.লীগের বিচারের দাবি জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ কাগজে কলমে ২ বালুমহাল ইজারা শ্রীমঙ্গলে, বাস্তবতা ভিন্ন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের দৃষ্টিতে ২০২৭ সালে ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি গন্তব্য রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে মিশছে সিসা, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ গবেষণা বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান ইসলামি ব্যাংকি: শুধু কি ‘বিকল্প’ ব্যবস্থা, নাকি নৈতিক দর্শন

‘এআই আমাদের মেরে ফেলবে’, ভয়ে চাকরি ছাড়লেন গুগলের দুই গবেষক

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তির অতিদ্রুত বিকাশ এবং এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপমাইন্ডের দুই গবেষকের পদত্যাগের ঘটনা প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মূলত এআইয়ের বর্তমান অগ্রগতির গতিপথ মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কাই তাদের এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত থাকা এসব বিশেষজ্ঞের এমন পদত্যাগ বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও প্রযুক্তিবিদদের ভাবিয়ে তুলেছে।

গুগল ডিপমাইন্ডে মূলত এজিআই সেফটি ও অ্যালিনমেন্ট বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করতেন গবেষক বিলাল চুঘতাই। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান যে, অত্যাধুনিক এআই মানুষের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলার বদলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। কয়েক বছরের ব্যবধানে এই প্রযুক্তির সক্ষমতা যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা আগে কল্পনা করাও সম্ভব ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এআই সিস্টেমের নিরাপত্তা যাচাইয়ের গবেষণা সেই দ্রুতগতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে কি না, তা নিয়ে তিনি গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন।

বিলাল চুঘতাই একা নন, একই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করে গুগল ডিপমাইন্ডের এজিআই সেফটি টিমের আরেক গবেষক জোস অ্যাঞ্জেলসও প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজের পদত্যাগের কথা প্রকাশ করে তিনি জানান যে, প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত গতিতে এগোচ্ছে না। বিশেষ করে ডিপমাইন্ড ছাড়ার পর অন্য কোনো বাণিজ্যিক এআই প্রতিষ্ঠানের লোভনীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হন। এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, সরাসরি গবেষণার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাই প্রযুক্তির সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার হচ্ছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই লাগামহীন প্রসার ও নিরাপত্তা সংকট নিয়ে প্রযুক্তি業界র শীর্ষ কর্তারাও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও আমোডি এআই উন্নয়নের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার এই অবস্থানের সঙ্গে ওপেনএআইয়ের স্যাম অল্টম্যান এবং এক্সএআইয়ের ইলন মাস্কের মতো ব্যক্তিত্বরাও প্রকাশ্যে সহমত পোষণ করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার তীব্র প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থের কারণে এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এবং নিরাপত্তা ও অগ্রগতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com