• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রতিদিন বাদাম খেলে বাড়ে মস্তিষ্কের ক্ষমতা একটি সাধারণ ঘরে প্রায় পরমশূন্য তাপমাত্রার কোনো বস্তু রাখলে কী ঘটবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার দিন সুন্দরবনে দস্যুতা: ‘দশ টাকার একটা নোট পেতে দিতে হয়েছে ২০ হাজার টাকা’ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া: ১৩ কোটি টাকার প্রকল্পের পানিতেও আর্সেনিক চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর: বাগানে এখনো বাহারি আম ভুয়া লেখক, প্রকাশক, এআইয়ে লেখা বই—গ্রন্থাগার ঘিরে তোলপাড় তামিলনাড়ুতে প্রয়োজনের অর্ধেক শিক্ষক সরকারি মেডিকেলে ‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন? মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার জমজমাট আসর

একটি সাধারণ ঘরে প্রায় পরমশূন্য তাপমাত্রার কোনো বস্তু রাখলে কী ঘটবে

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: শীতের সকালে রান্নাঘরের টেবিলে যদি পরম শূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি অর্থাৎ প্রায় মাইনাস ২৬৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি তামার টুকরো রাখা হয়, তবে মুহূর্তেই পুরো ঘর বরফে জমে যাওয়ার মতো সিনেমাটিক কোনো ঘটনা ঘটবে না। বরং এর সম্পূর্ণ বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হবে যেখানে তামার টুকরোটি আশপাশের পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করতে শুরু করবে। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী পরম শূন্য হলো তাপমাত্রার সর্বনিম্ন সীমা, যেখানে পদার্থের তাপীয় গতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে যায় কিন্তু কণাগুলো পুরোপুরি স্থির হয়ে যায় না।

প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী তাপ সর্বদা বেশি তাপমাত্রার বস্তু থেকে কম তাপমাত্রার বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়। যখন ওই অতি ঠান্ডা তামার টুকরোটি ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার পরিবেশে আনা হয়, তখন বাতাস, টেবিল, দেয়াল ও মেঝে থেকে তাপ দ্রুত ওই বস্তুর ভেতরে প্রবেশ করতে থাকে। এই তাপ শোষণের ফলে তামার টুকরোটির তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং একসময় তা চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে তাপীয় সাম্যাবস্থায় পৌঁছায়।

তবে এই প্রক্রিয়ার শুরুতে তামার চরম ঠান্ডার কারণে তার পৃষ্ঠে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটতে পারে। সংস্পর্শে আসা বাতাসের জলীয় বাষ্প অতি দ্রুত তাপ হারিয়ে ঘনীভূত হয়ে বরফে পরিণত হতে পারে এবং টুকরোটির গায়ে সাদা আস্তরণ বা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। এমনকি তাপমাত্রা যথেষ্ট কম থাকলে বাতাসের অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানও ঘনীভূত বা জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থাকে, যা দেখে অনেক সময় ভুলবশত সেটিকে হিমশীতল কোনো রশ্মির প্রভাব বলে মনে হতে পারে।

একটি সাধারণ ১ কিলোগ্রাম ওজনের তামার টুকরোর তাপধারণ ক্ষমতা এত কম থাকে যে তা একটি সম্পূর্ণ ঘরকে ঠান্ডা করার জন্য পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ করতে পারে না। ঘরের দেয়াল, আসবাবপত্র এবং বিশাল পরিমাণ বাতাসের সম্মিলিত তাপের উৎসের সামনে ওই ছোট্ট টুকরোটির শীতলতা টিকতে পারে না। ফলে সামান্য কিছু স্থানীয় ঠান্ডা বাতাস বা বরফ জমা ছাড়া পুরো ঘর বরফাবৃত হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com