• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম কেয়ামতের ছোট ৫ আলামত: নবীজির দৃশ্যমান ভবিষ্যদ্বাণী নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার পুনর্বাসনের আলোচনার আগে নিষিদ্ধ আ.লীগের বিচারের দাবি জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ

কারাগার ছিল ঠিকানা, ৭ বছর বয়সে মুক্ত আকাশের নিচে মোবাশ্বেরা

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাধারণত শিশুদের শৈশব কাটে পরিবারের আদর-স্নেহ, খেলার মাঠ আর বিদ্যালয়ের আঙিনায়। বাবা-মায়ের হাত ধরে হাঁটা কিংবা সহপাঠীদের সঙ্গে ছোটাছুটি করা প্রতিটি শিশুর জন্মগত অধিকার হলেও, সবার ভাগ্য এক রকম হয় না। মোবাশ্বেরা নামের এক ছোট্ট শিশুর জীবনের শুরুর দিনগুলো কেটেছে কারাগারের চার দেয়ালের মাঝে। মুক্ত আকাশের আলো-বাতাস কী, তা না জেনেই কেটে গেছে তার জীবনের প্রথম সাতটি বছর।

কারাগারই ছিল যার একমাত্র ঠিকানা, সেই মোবাশ্বেরা সম্প্রতি সব আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাগারের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছে। জন্মের পর থেকেই মায়ের সঙ্গে তাকে কারাবাস করতে হয়েছিল, যা কোনো শিশুর জন্যই কাম্য নয়। জীবনের প্রতিটি সকাল তার শুরু হতো লোহার শিকের ভেতর থেকে, যেখানে বাইরের পৃথিবীর রঙিন আলো পৌঁছাত খুবই সীমিত আকারে। ছোট্ট এই শিশুর বেড়ে ওঠার সময়টাতে সঙ্গ বলতে ছিল কেবল কারাগারের ধূসর দেয়াল আর কয়েদিদের গুমোট পরিবেশ।

কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ও নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্য দিয়ে দিন কাটলেও, সাত বছর বয়সী একটি শিশু যে ধরনের সামাজিকীকরণ ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পাওয়ার কথা, তা থেকে সে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ছিল। সহপাঠী বা খেলার সাথীহীন একাকী সেই পরিবেশে মোবাশ্বেরার শৈশব কেটেছে অত্যন্ত বৈরী পরিস্থিতিতে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সে কারাগারের গণ্ডি পেরিয়ে এক নতুন পৃথিবীতে পা রেখেছে।

মুক্ত আকাশের নিচে এসে দাঁড়ানোর পর মোবাশ্বেরার জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তার এই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা এবং সমাজের মূল ধারায় খাপ খাইয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এখন থেকে সে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মুক্ত পরিবেশে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে এবং তার হারানো শৈশব কিছুটা হলেও ফিরে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com