• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন রাহুলের চ্যালেঞ্জ মোদিকে, জবাব দিতে এগিয়ে এলেন অমিত শাহ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে নিজেদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য আজ যে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জিয়াউর রহমানই দেখিয়ে গিয়েছিলেন: এম সাখাওয়াত হোসেন ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র: ইউজিসি চেয়ারম্যান বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে কর্মী নিয়োগ, বেতন ৫২ হাজার টাকা

বিশ্বের শীর্ষ কূটনীতিক, অথচ বেতন যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রীদের চেয়েও কম!

Reporter Name / ২১ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক পদ হলো জাতিসংঘের মহাসচিবের আসন। বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই পদের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক ও তাৎপর্যপূর্ণ। অথচ বিশ্বমঞ্চে শান্তি প্রতিষ্ঠার নেতৃত্ব দেওয়া এই শীর্ষ কূটনীতিকের বার্ষিক বেতন বিশ্বের পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন মন্ত্রীর চেয়েও কম। এমন তথ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামোর বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক মূল বেতন প্রায় দুই লাখ সাতাশ হাজার দুশ তিপ্পান্ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত নির্বাহী বেতন কাঠামো অনুযায়ী সর্বোচ্চ স্তরের মন্ত্রিসভার সদস্যদের মূল বেতন এর চেয়েও বেশি।

মার্কিন বেতন কাঠামোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার পদগুলোতে দায়িত্ব পালনকারী মন্ত্রীরা জাতিসংঘ মহাসচিবের তুলনায় প্রায় পঁচিশ হাজার আটশসাতচল্লিশ ডলার বেশি পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার হিসাব করলে এই পার্থক্যের পরিমাণ প্রায় একত্রিশ লাখ টাকারও বেশি। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই দুটি ভিন্ন প্রকৃতির প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামো হুবহু এক নয়। ফলে কেবল বার্ষিক মূল বেতনের এই পরিসংখ্যান দিয়ে দুই পক্ষের সম্পূর্ণ আর্থিক সুযোগ-সুবিধা ও বাস্তব প্রাপ্তির সঠিক মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ জাতীয় সরকার ব্যবস্থার বেতন নীতি আর আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রশাসনিক পারিশ্রমিক নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা নিয়মে পরিচালিত হয়।

জাতিসংঘ সনদের ৯৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহাসচিবকে এই বৈশ্বিক সংস্থার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি সরাসরি জাতিসংঘ সচিবালয়ের নেতৃত্বদানের পাশাপাশি এর সকল কার্যক্রমের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এছাড়া সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে তিনি অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সনদের ৯৮ ও ৯৯ নম্বর অনুচ্ছেদে তাকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো বিষয় নিরাপত্তা পরিষদের নজরে আনার বিশেষ ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। ফলে তার কর্মপরিধি কেবল একটি নির্দিষ্ট দপ্তরের প্রশাসনিক কাজে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বৈশ্বিক সংকট নিরসনে কূটনৈতিক মধ্যস্থতাও তার দৈনন্দিন দায়িত্বের একটি বড় অংশ।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান বা ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বোঝাতে মন্ত্রী পদটি ব্যবহৃত হয়। দেশটির অফিস অব পারসোনেল ম্যানেজমেন্টের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, শীর্ষস্থানীয় লেভেল ওয়ান ও লেভেল টু ক্যাটাগরির মন্ত্রীদের বার্ষিক মূল বেতন নির্ধারিত রয়েছে। তবে সব মন্ত্রী একই বেতনস্তরে অন্তর্ভুক্ত হন না এবং দপ্তরের গুরুত্বভেদে এই পারিশ্রমিকে তারতম্য দেখা যায়। জাতিসংঘের নিজস্ব বেতনব্যবস্থা জাতীয় সরকারের কাঠামোর মতো নয় বলে এখানে আন্তর্জাতিক বেসামরিক কর্মীদের জন্য আলাদা নিয়ম অনুসৃত হয়। আন্তর্জাতিক সিভিল সার্ভিস কমিশনের নির্দেশিকা এবং পদমর্যাদা অনুযায়ী নির্ধারিত ভাতা ও পোস্ট অ্যাডজাস্টমেন্টসহ নানা সুবিধা এই ব্যবস্থার অংশ হয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com