• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য সম্মাননা পেল স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা: পদত্যাগ করলেন আরও এক বিচারপতি সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়ে আইজেনকট বললেন, সবার জন্য দরজা খোলা ‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ

দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: দীপাবলি উৎসবকে কেন্দ্র করে বরিশালের কাউনিয়া এলাকায় অবস্থিত দুই শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহাসিক মহাশ্মশানে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনে অংশ নিতে দূরদূরান্ত থেকে শত শত মানুষ মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে সমবেত হন এবং প্রয়াত পূর্বপুরুষ ও প্রিয়জনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন তারা।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পরিবারের সদস্যরা তাদের মৃত স্বজনদের সমাধিস্থলে ফুল দিয়ে সাজান এবং সেখানে মাটির প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্বলন করেন। অনেক পরিবার তাদের প্রয়াত প্রিয়জনের স্মৃতি ধরে রাখতে বাসা থেকে বাঁধানো ছবি সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং সমাধিতে রেখে প্রার্থনা করেন। এই আনুষ্ঠানিকতা পুরো শ্মশান এলাকায় এক আবেগঘন ও শান্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে।

শ্মশানের ভেতরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাইরে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে দেয়। মেলায় বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি, পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং শিশুদের খেলনা বিক্রির জন্য পসরা সাজিয়ে বসেন স্থানীয় বিক্রেতারা। চারপাশের এই কেনাকাটা ও লোকসমাগমে উৎসবমুখর এক পরিবেশের তৈরি হয়।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো মহাশ্মশান প্রাঙ্গণ হাজার হাজার প্রদীপ ও রঙিন আলোর মালায় ঝলমল করে ওঠে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় পুকুরের চারপাশের আলোকসজ্জা ও কৃত্রিম ফোয়ারার পানির খেলা পুরো পরিবেশকে এক অন্যরকম রূপ দেয়। এই সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com