• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ রাজনৈতিক সমর্থন দেখাতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়: নবীন কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা সৌদি রুটে বিধিনিষেধে বাতিল–স্থগিত ১৮৬ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক কোন পথে চীনের করিডর?

আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: সাহিত্য অঙ্গনে কবি শাহ সানাউল হকের নতুন সৃষ্টিশীল প্রয়াস হিসেবে আলোচনায় এসেছে প্রতিবিম্ব কবিতা। প্রচলিত ধারণার আয়নার মতো হুবহু প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলার পরিবর্তে এই ধারায় একই দৃশ্য কিংবা অভিজ্ঞতা কবির মননশীল চেতনায় ভিন্ন মাত্রা পায়। মূলত একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত বা অনুভূতি কবির ভেতর দুটি স্বতন্ত্র কবিতার জন্ম দেয়, যা একে অপরের বিকল্প বা অনুলিপি নয়। একই উৎস থেকে উৎসারিত হলেও প্রতিটি কবিতা নিজস্ব ভাষাভঙ্গি ও স্বতন্ত্র আঙ্গিকে ভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করে।

এই কাব্যরীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বহুমাত্রিক চিত্রকল্প এবং গভীর দার্শনিক আবেদন। একই উৎস বা অভিজ্ঞতা থেকে দুটি আলাদা কবিতা তৈরি হলেও তাদের ভাব ও প্রকাশভঙ্গি সম্পূর্ণ স্বাধীন। একটি কবিতা অন্যটির কোনো পুনর্লিখন কিংবা ছায়া মাত্র নয়, বরং উভয়েই নিজ বৈশিষ্ট্যে ভাস্বর হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে কবির অন্তর্লোক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপলব্ধি এক নতুন নান্দনিক উচ্চতা লাভ করে যা সাধারণ পাঠকের ভাবনার জগতকে প্রসারিত করে।

সাহিত্য সমালোচকদের মতে, প্রতিবিম্ব কবিতার এই ধারণা সমকালীন কাব্যচর্চায় একটি অভিনব নিরীক্ষাধর্মী সংযোজন। একই বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে ভিন্ন দুটি দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার সফল প্রকাশ ঘটানো বেশ চ্যালেঞ্জিং হলেও কবি তা অত্যন্ত নিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন। এর ফলে কবিতার শরীর ও অবয়বে নতুন অর্থের দ্যোতনা তৈরি হয় যা কাব্যরসিকদের দীর্ঘ সময় ধরে ভাবাতে বাধ্য করে।

সব মিলিয়ে শাহ সানাউল হকের এই কাব্যিক প্রয়াস বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কবিদের মধ্যেও নতুন ভাবনার খোরাক জোগাবে। একই বিন্দু থেকে দুটি ভিন্ন নদীর মতো প্রবাহিত হওয়া এই কবিতাগুলো বাংলা কবিতার পরীক্ষামূলক ধারায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই অনন্য নিরীক্ষা সাহিত্যের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখেও তাকে আধুনিকতার ছোঁয়া দিতে সক্ষম হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com