• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা সৌদি রুটে বিধিনিষেধে বাতিল–স্থগিত ১৮৬ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক কোন পথে চীনের করিডর? বাংলাদেশের পর্যটনে তুর্কি বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে বিটিবির উদ্যোগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সেতুমন্ত্রী কফি নয়, লাতে চায়ের রেসিপি দেখুন ‘আমাকে একটু রস দাও’ বলতেই খেজুরের রসে ভরে যায় গ্লাস ভিসা নথির জালিয়াতি কমাতে পারে ভিজিবল ডিজিটাল সিল নারায়ণগঞ্জ এনসিপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হলেন বিএনপির সাবেক এমপির মেয়ে

২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা

Reporter Name / ০ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: চট্টগ্রামে প্রায় ২৭৭ কোটি টাকার একটি ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রী রুকমিনা জামানসহ ছয় জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিন এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দীর্ঘদিন ধরে আদালতের সমন ও আদেশের পরেও ঋণ পরিশোধ না করা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় হাজির না হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।

এই মামলার অন্যান্য দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন এস এম আলমগীর চৌধুরী, খোরশেদুল আলম, হাবিব উল্লাহ ও সাফিকুল ইসলাম। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এই মন্ত্রীর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্টের নামে আইএফআইসি ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখা থেকে বড় অঙ্কের এই ঋণ নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়নি, যার ফলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে খেলাপি হিসেবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পাওনা টাকা আদায়ে বারবার তাগিদ দিলেও আসামিরা তা পরিশোধে ব্যর্থ হন।

আদালতের সেরেস্তাদার মো. সাইফুদ্দীন পারভেজ জানান, ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করায় অর্থঋণ জারি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ছয় জনকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার রায় ঘোষণা করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে এবং আইনি বিধান অনুযায়ী আদালত এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতারে আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালে আদালতে অর্থঋণ মামলা দায়ের করেছিল। এরপর আদালত আড়াইশ কোটি টাকার বেশি অর্থের ডিক্রি জারি করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা পরিশোধের নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে সেই অর্থ পরিশোধ না করায় গত বছরের মাঝামা সময়ে অর্থঋণ জারি মামলা করে ব্যাংক। ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত বন্ধকি সম্পদ না থাকায় নিলামের মাধ্যমেও টাকা আদায় করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে ব্যাংক বাধ্য হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির আবেদন জানায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com