• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয়: ইসি সচিব শেখ হাসিনা ফিরে এলে জনগণ তাঁকে সংবর্ধনা জানাবে, এমনটা কখনোই হবে না: রিজভী তেল-গ্যাসের মূল্য সমন্বয়ের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হচ্ছে—অভিযোগ জামায়াতের রোজায় ১০ পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে ঋণপত্রের মার্জিন কমাল সরকার, পণ্যগুলো কী সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত এইচএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণে পৌনে ১১ লাখ আবেদন, ছাড়াল গত দুই বছরের হিসাব সন্তান না হওয়ার আক্ষেপে ভাঙল ৭ বছরের সংসার ৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন ‘ফেরিটিন ফেস’ কি? চেহারা দেখে কি রক্তশূন্যতা শনাক্ত করা যায়? ভালো বেতনে চাকরি আর উপযুক্ত পাত্রে বিয়ের আশ্বাস, পড়েন পাচারকারীদের ফাঁদে

বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে সম্প্রতি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও উদ্যোগে আয়োজিত এই দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসবটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। মনোরম ও শান্ত পরিবেশে নবপ্রতিষ্ঠিত এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন একটি বড় আয়োজন সম্পন্ন হওয়ায় অংশ নেওয়া মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ভিক্ষু সংঘের প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথেরসহ অন্যান্য ভিক্ষুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকার বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকারা। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতি এবং ধর্মীয় গুণীজনদের সান্নিধ্যে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কর্ম বা অন্য কোনো কারণে ঢাকায় এসে বসবাস করা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে এই শান্তি কুটিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবনির্মিত এই ধর্মীয় কেন্দ্রে কঠিন চীবর দানের মতো একটি শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র অনুষ্ঠান আয়োজন স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখতে এই ধরনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উল্লেখ্য, বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী তিন মাসের বর্ষাবাস সমাপ্তির পর প্রবারণা পূর্ণিমা থেকে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত নির্দিষ্ট নিয়মে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে এটি দানোত্তম বা সর্বশ্রেষ্ঠ দান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সমগ্র দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্বের সব মানুষের সুখ-শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা পরিচালনা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com