• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: প্রতিমন্ত্রী ব্যানারে নেই জিয়ার ছবি, ডিসিকে অপসারণের আলটিমেটাম ছাত্রদলের শেখ হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে ইমোশনের বিষয় নেই, আইনটাকে প্রয়োগ করব: আইনমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের সাথে চুক্তি ঘিরে উদ্বেগ কেন? ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির নয় নেতার স্ত্রী ও চারজনের সন্তান সারের ডিলার পালংশাক খেতে ভালোবাসেন? জেনে নিন পালং পনিরের সহজ রেসিপি সহজ লেখা পড়েও বোঝে না প্রাথমিকের অর্ধেক শিক্ষার্থী রেফারির সঙ্গে কী নিয়ে লেগে গেল মেসি নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিশ এক আইনজীবীর বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১১১৭ পদে নিয়োগ, সবচেয়ে বেশি জেনারেল নার্স ৪০০

ব্যানারে নেই জিয়ার ছবি, ডিসিকে অপসারণের আলটিমেটাম ছাত্রদলের

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা এবং এক বক্তার বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই ঘটনার জেরে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার অপসারণ দাবি করে মাঠে নেমেছে জেলা ছাত্রদল। সম্প্রতি প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আগামী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিসিকে অপসারণ করা না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলামের স্বাক্ষরে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায়, যেখানে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছিল। নির্ধারিত মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি রাখা হয়নি, যা দেখতে পেয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও লোকজনের মধ্যে প্রথম দফায় তীব্র অসন্তোষ ও হট্টগোল শুরু হয়। পরবর্তীতে আয়োজকরা দ্রুত ভুল সংশোধন করে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযুক্ত করার ব্যবস্থা করেন এবং অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু করা হয়। তবে অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে এক বক্তা বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সম্বোধন করলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। ওই বক্তার বক্তব্যের সময় জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদল, যা উপস্থিত জনতাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, আলোচিত ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন এবং অনুষ্ঠান শুরুর আগ পর্যন্ত অন্য কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতেন না। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানে এসে তারা ব্যানারটি টাঙানো অবস্থায় দেখতে পান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও অসন্তোষ প্রশমিত হয়নি। ইতিমধ্যে এই পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার জন্য জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী একটি বিশেষ তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেছেন। তবে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মোবাইল ফোনে কল করে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com